Loading..

শিক্ষায় অগ্রযাত্রা

রিসেট

০৯ ডিসেম্বর, ২০২০ ০২:২৮ পূর্বাহ্ণ

ফাংশন

সাধারণ ধারণা :

  • অন্বয় : A ও B সেট হলে A×B এর কোন অশূণ্য উপসেটকে A থেকে B তে একটি অন্বয় বলা হয় । অর্থাৎ যদি S, A থেসাধারণ ধারণা :
    • অন্বয় : A ও B সেট হলে A×B এর কোন অশূণ্য উপসেটকে A থেকে B তে একটি অন্বয় বলা হয় । অর্থাৎ যদি S, A থেকে B তে একটি অন্বয় হয় তবে,

    S = {(x,y) ∣  x ∈ A, y ∈ B}

    আবার, A×A এর কোন অশূণ্য উপসেটকে A সেটে একটি অন্বয় বলে ।

    • অন্বয়ের ডোমেন (Domain) এবং রেঞ্জ (Range) : S এ অন্তর্ভুক্ত ক্রমজোড়গুলোর প্রথম উপাদানসমূহের সেটকে S এর ডোমেন এবং দ্বিতীয় উপাদানসমূহের সেটকে S এর রেঞ্জ বলা হয় । S এর ডোমেনকে ডোম S এবং রেঞ্জকে রেঞ্জ S লিখে প্রকাশ করা হয় । অর্থাৎ,

    ডোম S = {x ∣ x ∈ A, (x,y) ∈ S}

    রেঞ্জ S = {y ∣ y ∈ B, (x,y) ∈ S}

    • বিপরীত অন্বয় : S যদি A থেকে B সেটে কোন অন্বয় হয় তবে S এর বিপরীত অন্বয় হচ্ছে B থেকে A সেটে একটি অন্বয় যাকে S-1 দ্বারা প্রকাশ করা হয় । অর্থাৎ,

    S-1 = {(y,x) ∣ y ∈ B, x ∈ A}

       = {(y,x) ∣ (x,y) ∈ S}

    • ফাংশন (Function) : ফাংশন হল বিশেষ ধরনের অন্বয় । যদি কোন অন্বয়ে একই প্রথম উপাদানবিশিষ্ট একাধিক ক্রমজোড় না থাকে, তবে ঐ অন্বয়কে ফাংশন বলে । অর্থাৎ, A ও B সেট হলে A থেকে B সেটে ফাংশন F হচ্ছে A×B এর এমন একটি উপসেট যেন-
    1. প্রতি a ∈ A এর জন্য একটি উপাদান b ∈ B থাকে যেখানে (a,b) ∈ F
    2. যদি (a,b) ∈ F হয় এবং (a,b′) ∈ F হয় তবে অবশ্যই b = b′ হবে ।

    F, A থেকে B সেটে ফাংশন হলে তাকে F : A→B লিখে প্রকাশ করা হয় । (x,y) ∈ F হলে, y কে F এর অধীনে x এর ছবি (Image) বলা হয় এবং y = F(x) লেখা হয় ।

    • ফাংশনের ডোমেন, রেঞ্জ ও কো-ডোমেন (Co-doamin) : F : A→B এর ক্রমজোড়গুলোর প্রথম উপাদানসমূহের সেটকে F এর ডোমেন বলে যাকে ডোম F লিখে প্রকাশ করা হয় । অন্য কথায়, A কে F এর ডোমেন বলে।

    ডোম F = {x ∣ x ∈ A}

    F এর ক্রমজোড়গুলোর দ্বিতীয় উপাদানসমূহের সেটকে F এর রেঞ্জ বলে যাকে রেঞ্জ F লিখে প্রকাশ করা হয়। অন্য কথায়, B এর যেসব উপাদান A এর উপাদানসমূহের ছবি হিসেবে পাওয়া যায় তাদের সেট হল রেঞ্জ F ।

    রেঞ্জ F = {y ∣ y ∈ B, (x,y) ∈ F}

    B এর সকল উপাদানসমূহের সেটকে F এর কো-ডোমেন বলে ।

    রেঞ্জ ⊆ কো-ডোমেন

    • ফাংশনের প্রকারভেদ :
    1. এক-এক ফাংশন (One-to-one function) : যদি কোন ফাংশনের অধীনে তার ডোমেনের ভিন্ন ভিন্ন সদস্যের ছবি সর্বদা ভিন্ন হয় তবে ফাংশনটিকে এক-এক ফাংশন বলা হয় । অর্থাৎ, f : A→B কে এক-এক ফাংশন বলা হয় । যদি ডোম f এর সব সদস্য x1, x2 এর জন্য f(x1) ≠ f(x2) যখন x1 ≠ x2 । অথবা, সব x1, x2 এর জন্য f(x1) = f(x2)হলে x1 = x2 হয় । অর্থাৎ, ডোম f এর একটি সদস্য কো-ডোমেন সেটের শুধুমাত্র একটি সদস্যের সঙ্গে সম্পর্কিত হলে, f একটি এক-এক ফাংশন ।
    2. সর্বগ্রাহী/ সার্বিক ফাংশন (Onto/surfective function) : f : A→B কোন ফাংশনের B সেটের সমস্ত উপাদানই যদি A সেটের উপাদানসমূহের ছবি হিসেবে পাওয়া যায় তবে ঐ ফাংশনটিকে সার্বিক ফাংশন বলে । সাধারণত f এর রেঞ্জ f(A), B সেটের একটি উপসেট হয় অর্থাৎ f(A) ⊂ B হয়; কিন্তু যখন f(A) = B হয় অর্থাৎ, রেঞ্জ = কো-ডোমেন হয় f(A) কে সার্বিক ফাংশন বলা হয় ।
    3. প্রতিষঙ্গ ফাংশন (Bijective function) : কোন ফাংশন এক-এক এবং সার্বিক হলে তাকে প্রতিষঙ্গ ফাংশন বলে ।
    4. বিপরীত ফাংশন (Inverse function) : শুধুমাত্র প্রতিষঙ্গ ফাংশনের বিপরীত ফাংশন থাকে । f : A→B কোন প্রতিষঙ্গ ফাংশন হলে f-1 দ্বারা এর বিপরীত ফাংশন প্রকাশ করা হয় যেখানে f-1 : B→A
    5. সংযোজিত ফাংশন (Composite functin) : f : A→B এবং g : B→C দুটি ফাংশন হলে, এদের দু’ধরনের সংযোজিত ফাংশন পাওয়া যাবে-
    1. gof : A→C যেখানে, gof বা (gof)(x) = g(f(x))
    2. fog : C→A যেখানে, fog বা (fog)(x) = f(g(x))
    1. অভেদ/অভেদক ফাংশন (Indentity function) : যদি কোন ফাংশন কোন সেটের উপাদানকে একই সেটের ঐ উপাদানের সাথেই সম্পর্কিত করে তবে ফাংশনটিকে অভেদ ফাংশন বলে । অর্থাৎ, A কোন সেট হলে F : A→A একটি অভেদ ফাংশন । দ্রষ্টব্য, অভেদ ফাংশন সব সময়ই এক-এক ফাংশন ।
    2. ধ্রুব/ধ্রুবক ফাংশন (Constant function) : যদি কোন ফাংশন f এর অধীনে A সেটের প্রত্যেকটি উপাদানের ছবি B সেটের কেবল একটি উপাদান হয় তবে f কে ধ্রুব ফাংশন বলে । অর্থাৎ, f : A→B তে সব x এর জন্য যেখানে । দ্রষ্টব্য, প্রত্যেক ধ্রুব ফাংশনের রেঞ্জ এক সদস্যবিশিষ্ট একটি সেট ।
    3. অযুগ্ম ফাংশন (Odd function) : f(-x)=-f(x) হলে f কে অযুগ্ম ফাংশন বলে ।
    4. যুগ্ম ফাংশন (Even funciton) : f(-x)= f(x) হলে f কে যুগ্ম ফাংশন বলে ।

    কে B তে একটি অন্বয় হয় তবে,

S = {(x,y) ∣  x ∈ A, y ∈ B}

আবার, A×A এর কোন অশূণ্য উপসেটকে A সেটে একটি অন্বয় বলে ।

  • অন্বয়ের ডোমেন (Domain) এবং রেঞ্জ (Range) : S এ অন্তর্ভুক্ত ক্রমজোড়গুলোর প্রথম উপাদানসমূহের সেটকে S এর ডোমেন এবং দ্বিতীয় উপাদানসমূহের সেটকে S এর রেঞ্জ বলা হয় । S এর ডোমেনকে ডোম S এবং রেঞ্জকে রেঞ্জ S লিখে প্রকাশ করা হয় । অর্থাৎ,

ডোম S = {x ∣ x ∈ A, (x,y) ∈ S}

রেঞ্জ S = {y ∣ y ∈ B, (x,y) ∈ S}

  • বিপরীত অন্বয় : S যদি A থেকে B সেটে কোন অন্বয় হয় তবে S এর বিপরীত অন্বয় হচ্ছে B থেকে A সেটে একটি অন্বয় যাকে S-1 দ্বারা প্রকাশ করা হয় । অর্থাৎ,

S-1 = {(y,x) ∣ y ∈ B, x ∈ A}

   = {(y,x) ∣ (x,y) ∈ S}

  • ফাংশন (Function) : ফাংশন হল বিশেষ ধরনের অন্বয় । যদি কোন অন্বয়ে একই প্রথম উপাদানবিশিষ্ট একাধিক ক্রমজোড় না থাকে, তবে ঐ অন্বয়কে ফাংশন বলে । অর্থাৎ, A ও B সেট হলে A থেকে B সেটে ফাংশন F হচ্ছে A×B এর এমন একটি উপসেট যেন-
  1. প্রতি a ∈ A এর জন্য একটি উপাদান b ∈ B থাকে যেখানে (a,b) ∈ F
  2. যদি (a,b) ∈ F হয় এবং (a,b′) ∈ F হয় তবে অবশ্যই b = b′ হবে ।

F, A থেকে B সেটে ফাংশন হলে তাকে F : A→B লিখে প্রকাশ করা হয় । (x,y) ∈ F হলে, y কে F এর অধীনে x এর ছবি (Image) বলা হয় এবং y = F(x) লেখা হয় ।

  • ফাংশনের ডোমেন, রেঞ্জ ও কো-ডোমেন (Co-doamin) : F : A→B এর ক্রমজোড়গুলোর প্রথম উপাদানসমূহের সেটকে F এর ডোমেন বলে যাকে ডোম F লিখে প্রকাশ করা হয় । অন্য কথায়, A কে F এর ডোমেন বলে।

ডোম F = {x ∣ x ∈ A}

F এর ক্রমজোড়গুলোর দ্বিতীয় উপাদানসমূহের সেটকে F এর রেঞ্জ বলে যাকে রেঞ্জ F লিখে প্রকাশ করা হয়। অন্য কথায়, B এর যেসব উপাদান A এর উপাদানসমূহের ছবি হিসেবে পাওয়া যায় তাদের সেট হল রেঞ্জ F ।

রেঞ্জ F = {y ∣ y ∈ B, (x,y) ∈ F}

B এর সকল উপাদানসমূহের সেটকে F এর কো-ডোমেন বলে ।

রেঞ্জ ⊆ কো-ডোমেন

  • ফাংশনের প্রকারভেদ :
  1. এক-এক ফাংশন (One-to-one function) : যদি কোন ফাংশনের অধীনে তার ডোমেনের ভিন্ন ভিন্ন সদস্যের ছবি সর্বদা ভিন্ন হয় তবে ফাংশনটিকে এক-এক ফাংশন বলা হয় । অর্থাৎ, f : A→B কে এক-এক ফাংশন বলা হয় । যদি ডোম f এর সব সদস্য x1, x2 এর জন্য f(x1) ≠ f(x2) যখন x1 ≠ x2 । অথবা, সব x1, x2 এর জন্য f(x1) = f(x2)হলে x1 = x2 হয় । অর্থাৎ, ডোম f এর একটি সদস্য কো-ডোমেন সেটের শুধুমাত্র একটি সদস্যের সঙ্গে সম্পর্কিত হলে, f একটি এক-এক ফাংশন ।
  2. সর্বগ্রাহী/ সার্বিক ফাংশন (Onto/surfective function) : f : A→B কোন ফাংশনের B সেটের সমস্ত উপাদানই যদি A সেটের উপাদানসমূহের ছবি হিসেবে পাওয়া যায় তবে ঐ ফাংশনটিকে সার্বিক ফাংশন বলে । সাধারণত f এর রেঞ্জ f(A), B সেটের একটি উপসেট হয় অর্থাৎ f(A) ⊂ B হয়; কিন্তু যখন f(A) = B হয় অর্থাৎ, রেঞ্জ = কো-ডোমেন হয় f(A) কে সার্বিক ফাংশন বলা হয় ।
  3. প্রতিষঙ্গ ফাংশন (Bijective function) : কোন ফাংশন এক-এক এবং সার্বিক হলে তাকে প্রতিষঙ্গ ফাংশন বলে ।
  4. বিপরীত ফাংশন (Inverse function) : শুধুমাত্র প্রতিষঙ্গ ফাংশনের বিপরীত ফাংশন থাকে । f : A→B কোন প্রতিষঙ্গ ফাংশন হলে f-1 দ্বারা এর বিপরীত ফাংশন প্রকাশ করা হয় যেখানে f-1 : B→A
  5. সংযোজিত ফাংশন (Composite functin) : f : A→B এবং g : B→C দুটি ফাংশন হলে, এদের দু’ধরনের সংযোজিত ফাংশন পাওয়া যাবে-
  1. gof : A→C যেখানে, gof বা (gof)(x) = g(f(x))
  2. fog : C→A যেখানে, fog বা (fog)(x) = f(g(x))
  1. অভেদ/অভেদক ফাংশন (Indentity function) : যদি কোন ফাংশন কোন সেটের উপাদানকে একই সেটের ঐ উপাদানের সাথেই সম্পর্কিত করে তবে ফাংশনটিকে অভেদ ফাংশন বলে । অর্থাৎ, A কোন সেট হলে F : A→A একটি অভেদ ফাংশন । দ্রষ্টব্য, অভেদ ফাংশন সব সময়ই এক-এক ফাংশন ।
  2. ধ্রুব/ধ্রুবক ফাংশন (Constant function) : যদি কোন ফাংশন f এর অধীনে A সেটের প্রত্যেকটি উপাদানের ছবি B সেটের কেবল একটি উপাদান হয় তবে f কে ধ্রুব ফাংশন বলে । অর্থাৎ, f : A→B তে সব x এর জন্য যেখানে । দ্রষ্টব্য, প্রত্যেক ধ্রুব ফাংশনের রেঞ্জ এক সদস্যবিশিষ্ট একটি সেট ।
  3. অযুগ্ম ফাংশন (Odd function) : f(-x)=-f(x) হলে f কে অযুগ্ম ফাংশন বলে ।
  4. যুগ্ম ফাংশন (Even funciton) : f(-x)= f(x) হলে f কে যুগ্ম ফাংশন বলে ।
মন্তব্য করুন