প্রতিটি
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জানতে চাই,সুস্থ থাকি কর্নার স্থাপনের ফলে
একদিকে ল্যাপটপ, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ব্যবহার করে বিভিন্ন করোনা
সংক্রান্ত বিভিন্ন ভিডিও প্রদর্শন করলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এই কর্নারের
মাধ্যমে তাদের অজানা বিষয় সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন। এবং
মহামারী করোনা প্রতিরোধে সচেতন হবেন এক্ষেত্রে বিদ্যালয় সংলগ্ন হাসপাতালের
সহযোগিতা নেয়া যেতে পার,সপ্তাহে ২ দিন।
প্রস্তাবিত সমাধান:
কোমলমতি শিক্ষার্থীরা প্রাণঘাতী করোনার লক্ষন প্রতিরোধ, ও প্রতিকার ও
করোনা সংক্রান্ত বিষয় সম্পর্কে প্রশ্ন করবে। আর তা এই কর্নারে রক্ষিত
একটি রেজিস্টারে লিখে রাখবে। শ্রেণি শিক্ষক অথবা দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক
শিক্ষার্থীদের জানতে চাওয়ার বিষয়টি করে ইউটিউবের/ গুগলের সহযোগিতার
মাধ্যমে সচিত্র প্রতিবেদন বা ভিডিও প্রদর্শন করবেন মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে।
বাস্তবায়ন কৌশল:
বিদ্যালয়ের
মাল্টিমিডিয়া শ্রেনীকক্ষে একটি নির্দিষ্ট স্থানে 'জানতে চাই সুস্থ থাকি '
কর্নারে বা করোনা কর্ণারে রক্ষিত রেজিস্টারে শিক্ষার্থীরা তাদের নাম,
শ্রেণি ও রোল নম্বর উল্লেখ করে তাদের জানতে চাওয়ার বিষয়টি লিখে রাখবে।
দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক একটি নির্দিষ্ট দিন ও সময়ে রেজিস্টার দেখে
শিক্ষার্থীদের জানতে চাই কর্নারে/ করোনা কর্ণারে উপস্থিত করে গুগল ও
ইউটিউব সার্চ করে শিক্ষার্থীদের অজানা বিষয়টি প্রজেক্টরে সচিত্র প্রদর্শন
করবেন। প্রয়োজনে বিদ্যালয় সংলগ্ন হাসপাতালের কোন ডাক্তারের সহযোগিতা নেয়া
যেতে পারে। এ ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা অফিসার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন
করবেন।
ইনোভেশনটির প্রত্যাশিত ফলাফল:
১.প্রানঘাতী
করোনা সম্পর্কে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অনেক অজানা বিষয় সম্পর্কে জানার
সুযোগ সৃষ্টি হবে।বিশেষ করে করোনা রোগীর সেবা, পথ্য,খাবার, কোথায়
চিকিৎসার ব্যবস্হা আছে ইত্যাদি সম্পর্কে জানার সুযোগ হবে।
২.শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে।এবং নিজ পরিবারের, সুরক্ষার বিষয়ে ও ভূমিকা রাখতে পারবে।
৩.আমার
ডাক্তার / ভিডিও মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরে সচিত্র প্রদর্শনের ফলে অনেক
অজানাবিষয় / করোনা প্রতিরোধে করনীয় / করোনার চিকিৎসা ব্যবস্হা শিক্ষক ও
শিক্ষার্থীদের আরো সচেতন করে তোলবে।
৪.মহামারী
করোনা জয়ের বিভিন্ন উপায় / কৌশল সম্পর্কে জেনে তাদের ভবিষ্যৎ জীবনে একজন
অগ্রগামী যোদ্ধা হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে সক্ষম হবে।।