প্রভাষক
০৮ নভেম্বর, ২০২০ ০৭:২৩ অপরাহ্ণ
প্রভাষক
নেটওয়ার্ক টপোলজি (Network Topology)
কম্পিউটার নেটওয়ার্কে বিভিন্ন কম্পিউটার এবং ডিভাইসের মধ্যে পরস্পর সংযোগ এবং ডেটা আদান প্রদান করার যে প্রক্রিয়া/ কৌশল তাকে বলা হয় নেটওয়ার্ক টপোলজি।
নেটওয়ার্ক টপোলজির প্রকারভেদ
1. বাস টপোলজি (Bus Topology)
2. স্টার টপোলজি (Star Topology)
3. রিং টপোলজি (Ring Topology)
4. ট্রি টপোলজি (Tree Topology)
5. মেশ টপোলজি (Mesh Topology)
6. হাইব্রিড টপোলজি (Hybrid Topology)
বাস টপোলজি (Bus Topology)
বাস টপোলজিতে একটি মূল তারের সাথে সকল কম্পিউটার এবং ডিভাইস সংযুক্ত থাকে। ঐ মূল লাইনকে বলা হয় বাস।
বৈশিষ্ট্য:
1. খরচ কম।
2. নতুন ডিভাইস সংযোগ করা/ বাদ দেয়া সহজ।
3. একটি কম্পিউটার নষ্ট হলেও নেটওয়ার্কে কোন সমস্যা হয় না।
4. মূল লাইনে সমস্যা হলে পুরো নেটওয়ার্ক অচল।
স্টার টপোলজি (Star Topology)
স্টার টপোলজিতে একটি কেন্দ্রীয় হাব/সু্ইচ থাকে। ঐ কেন্দ্রীয় হাব/সুইচ এর সাথে সকল কম্পিউটার এবং ডিভাইস সংযোগ প্রদান করা হয়।
বৈশিষ্ট্য:
1. একটি কম্পিউটার নষ্ট হলেও নেটওয়ার্কে কোন সমস্যা হয় না।
2. হাব/সুইচ নষ্ট হলে পুরো নেটওয়ার্ক অচল।
3. নতুন ডিভাইস সংযোগ করা/ বাদ দেয়া সহজ।
4. একটু ব্যয়বহুল।
5. ডেটা চলাচলের গতি একটু বেশি।
রিং টপোলজি (Ring Topology)
রিং টপোলজিতে প্রতিটি কম্পিউটার তার পাশ্ববর্তী দুটি কম্পিউটারের সংযোগ প্রদান করা হয়। এভাবে একটি রিং/ চাকতির মত আকৃতি ধারন করে বলে একে রিং টেপোলজি বলা হয়।
বৈশিষ্ট্য:
1. নতুন ডিভাইস সংযোগ করা/ বাদ দেয়া জটিল।
2. একটি কম্পিউটার নষ্ট হলে পুরো নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পড়ে।
3. ডেটা চলাচলের গতি কম।
4. কোন কেন্দ্রীয় কম্পিউটার/ সার্ভার প্রয়োজন হয় না।
ট্রি টপোলজি (Tree Topology)
ট্রি টপোলজিতে কম্পিউটার গুলো শাখা প্রশাখা বিশিষ্ট নেটওয়ার্কে বিন্যস্ত থাকে। সকল কম্পিউটার এবং ডিভাইস একটি কেন্দ্রীয় সার্ভার এর সাথে সংযুক্ত থাকে।
বৈশিষ্ট্য:
1. নতুন ডিভাইস সযোগ করা/ বাদ দেয়া সহজ।
2. মূল কম্পিউটারে সমস্যা হলে পুরো নেটওয়ার্ক অচল।
3. খরচ তুলনামূলক একটু বেশি।
4. অফিস ব্যবস্থাপনার জন্য বেশি উপযোগী।
মেশ টপোলজি (Mesh Topology)
মেশ টপোলজিতে একটি কম্পিউটার অন্য সকল কম্পিউটারের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থাকে। এ প্রক্রিয়ায় একটি কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে সরাসরি ডাটা আদান প্রদান করা যায়।
বৈশিষ্ট্য:
1. দ্রুত ডাটা আদান প্রদান করা যায়।
2. একটি কম্পিউটার নষ্ট হলেও অন্য কিম্পিউটারে ডাটা আদান প্রদানে কোন সমস্যা হয় না।
3. ইন্সটলেশন এবং কনফিগারেশন বেশ জটিল।
4. খরচ একটু বেশি।
হাইব্রিড টপোলজি (Hybrid Topology)
যখন কোন টপোলজিতে একাধিক টপোলজি একত্রে ব্যবহৃত হয় তখন তাকে বলা হয় হাইব্রিড টপোলজি।
বৈশিষ্ট্য:
1. বড় আকারের নেটওয়ার্কের জন্য সুবিধাজনক।
2. প্রয়োজন অনুযায়ী নেটওয়ার্ক সম্প্রসারন করা যায়।
3. কোন কম্পিউটার নষ্ট হলেও পুরো নেটওয়ার্ক অচল না হয়ে আংশিক সচল থাকে।
4. নেটওয়ার্ক স্থাপন জটিল এবং ব্যয়বহুল।
আবু ছালেহ খন্দকার
প্রভাষক (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি)
আবদুল ওয়াহাব ডিগ্রী কলেজ
খিলপাড়া, চাটখিল, নোয়াখালী।
মোবাইল: ০১৭২২৪৬১৬২৩