সহকারী শিক্ষক
০৩ এপ্রিল, ২০২০ ০৯:৫৪ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ ষষ্ঠ
বিষয়ঃ ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান
করোনাভাইরাসের প্রভাব মোকাবেলায় বিনা সুদে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ দেয়ার দাবি জানিয়েছে ১১টি ব্যবসায়ী সংগঠন।
একইসঙ্গে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী নেতা ও বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে টাস্কফোর্স গঠন এবং অর্থের জোগান নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয়গুলোর অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানোর তাগিদ দিয়েছে সংগঠনগুলো।
বৃহস্পতিবার মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব সুপারিশ করা হয়েছে।
১১টি সংগঠনের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে সুপারিশগুলো তৈরি করা হয়। সংগঠনগুলো হচ্ছে- এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন (বিইএফ), এমসিসিআই, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বাংলাদেশীয় চা সংসদ (বিসিএস), জুট মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিজেএমএ), জুট স্পিনার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজেএসএ), বেসিস, ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএফএফএ), লেদার গুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার মেনুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এলএফএমইএবি) ও এগ্রো প্রসেসরস অ্যাসোসিয়েশন (বাপা)।
রফতানিমুখী শিল্পের ন্যায় দেশীয় শিল্প খাতের জন্যও প্রণোদনার বিষয়টিও বিবেচনায় আহ্বান জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসের কারণে পৃথিবীর অন্যতম ঘনজনবসতিপূর্ণ ও জনবহুল দেশ হওয়ায় আমরা উচ্চ ঝুঁকির মধ্যে আছি।
বিশ্ব অর্থনীতি বিরাট ধাক্কা খেয়েছে এবং অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে খুব শিগগিরই এর থেকে উত্তরণ ঘটবে না। শুধু অভ্যন্তরীণ কারণেই নয়, বৈশ্বিক কারণেও আমাদের অর্থনীতি হুমকির মুখে। আমাদের ব্যবসায়ী অংশীদার দেশ চীন, ইতালি, জাপান, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, সৌদিআরব, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া ভাইরাসে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ভাইরাস মোকাবিলায় ব্যবসায়ী সমাজের দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধ করতে সরকারের নেয়া যে কোনো অজনপ্রিয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ী সমাজ জোরালোভাবে সমর্থন জানাবে। ক্ষয়ক্ষতি নিরূপনে টাস্কফোর্স গঠনের দাবি জানিয়ে বলা হয়, করোনার ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে অতিসত্বর সরকার অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী নেতা, ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সমাজবিজ্ঞানী ও অন্যান্য বিশেষজ্ঞ সমন্বয়ে একটি স্বাধীন ‘টাস্কফোর্স’ গঠন করতে পারে। এ টাস্কফোর্স প্রয়োজন অনুযায়ী সরকারকে পরামর্শ দেবে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দু’ধরনের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। প্রথমত, করোনার কারণে অর্থনীতির ওপর সম্ভাব্য ধাক্কা মোকাবেলা ২২টি এবং দ্বিতীয়ত, সামষ্টিক অর্থনৈতিক সম্পর্কিত ১২টি প্রস্তাব দেয়া হয়।
অর্থনীতির ওপর সম্ভাব্য ধাক্কা মোকাবিলায় অনার্থিক, আর্থিক ও নীতি-সহায়তা সম্পর্কিত প্রস্তাবের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- সংকটময় মুহূর্তে বিনাসুদে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ দেয়া।
এতে বলা হয়েছে, ব্যাংকিং খাতে যতটা সম্ভব টাকা বা তারল্য সরবরাহ করতে হবে। যাতে বড়, মধ্যম, ছোট ও স্বনিয়োজিত প্রত্যেক ব্যবসায়ী এ সংকটময় মুহূর্তে বিনা সুদে ঋণ পাওয়ার সুযোগ পায়, যা পরবর্তী ৫ বছরে পরিশোধযোগ্য হবে। বিশেষত তৈরি পোশাকসহ অন্য শ্রমঘন খাতে আগামী ৩ মাসের বেতন ও বোনাস প্রদানের জন্য এ সহায়তা একান্ত প্রয়োজন।