প্রভাষক
১০ জুন, ২০১৩ ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
প্রভাষক
এক কোষ থেকে সুনির্দিষ্ট জিন নিয়ে অন্য কোষে স্থাপন ও কর্মক্ষম করার ক্ষমতাকে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বলা হয়। জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর জন্য যে পদ্বতি প্রয়োগ করা হয় তাকে রিকম্বিনেন্ট DNA প্রজুক্তি বা জিন ক্লোনিং বলা হয়। এ পদ্বতি প্রয়োগে কোন সুনির্দিষ্ট জিনসহ DNA অনুর অংশকে কোষের বাইরে ছেদন করে ব্যাকটিরিয়ার প্লাজমিড DNA-তে প্রতিস্থাপন করা হয়। এভাবে গঠিত নতুন জিন ব্যাকটিরিয়ার মাধ্যমে সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয় এবং অন্য কাঙ্ক্ষিত জীব কোষে প্রবেশ করানো হয়। পরবর্তিতে এ জীবে নতুন জিনের বহিঃপ্রকাশকে পর্যবেক্ষন করা হয়। ১৯৭০ দশকের মাঝামাঝি সময়ে এর শুরু, কিন্তু ইতিমধ্যেই মানবসমাজ এর থেকে লাভবান হতে শুরু করেছে। জীবন-জ়ীবিকার প্রায় সব ক্ষেত্রেই এই প্রযুক্তি্র সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত। এ প্রযুক্তির মাধ্যমে DNA এর কাঙ্ক্ষিত অংশ ব্যাকটিরিয়া থেকে মানুষে, উদ্ভিদ থেকে প্রাণীতে, প্রাণী থেকে উদ্ভিদে স্থানান্তর করা সম্ভব হয়েছে। এ ধরনের জীবকে বলা হয় GMO (genetically modified organism) বা GE(genetically engineered) বা ট্রান্সজেনিকস।