Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

২০ অক্টোবর, ২০২৬ ০৯:৩৪ অপরাহ্ণ

ই-পর্চার ধারণা


 ই-পর্চার ধারণা

ই-পর্চা হলো জমির খতিয়ান বা ভূমি-সংক্রান্ত তথ্য অনলাইনের মাধ্যমে দেখার ও সংগ্রহ করার একটি ডিজিটাল ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে ঘরে বসেই জমির মালিকানা-সংক্রান্ত রেকর্ড, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বরসহ বিভিন্ন ভূমি-সংক্রান্ত তথ্য জানা যায়। বাংলাদেশে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল সেবার অংশ হিসেবে ই-পর্চা সেবা চালু করা হয়েছে।


 ই-পর্চার কার্যপ্রণালির ধারণাচিত্র

          ই-পর্চা সেবা
               │
       ┌───────┴────────┐
       │                │
   অনলাইনে প্রবেশ    জমির তথ্য প্রদান
       │                │
       └───────┬────────┘
               │
        খতিয়ান অনুসন্ধান
               │
        তথ্য যাচাই ও দেখা
               │
       প্রয়োজনীয় পর্চা সংগ্রহ

ই-পর্চার প্রধান বৈশিষ্ট্য

১. অনলাইনের মাধ্যমে জমির খতিয়ান অনুসন্ধান করা যায়।
২. ঘরে বসে ভূমি-সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায়।
৩. খতিয়ান ও দাগ নম্বর ব্যবহার করে তথ্য খোঁজা যায়।
৪. নির্ধারিত নিয়মে খতিয়ানের সার্টিফায়েড কপি বা প্রত্যয়িত অনুলিপির জন্য আবেদন করা যায়।
৫. ভূমি-সংক্রান্ত সেবা গ্রহণের সময় ও খরচ কমাতে সাহায্য করে।

ই-পর্চার গুরুত্ব

১. ভূমি-সংক্রান্ত তথ্য সহজে পাওয়া যায়।
২. সরকারি ভূমি সেবায় স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পায়।
৩. ভূমি অফিসে বারবার যাওয়ার প্রয়োজন কমে।
৪. সময় ও শ্রম সাশ্রয় হয়।
৫. ভূমি ব্যবস্থাপনার ডিজিটাল রূপান্তরে সহায়তা করে।

 ই-পর্চা কীভাবে সংগ্রহ করবেন?

১. বাংলাদেশের সরকারি ভূমি সেবার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন:
২. খতিয়ান বা ই-পর্চা-সংক্রান্ত সেবা নির্বাচন করুন।
৩. প্রয়োজন অনুযায়ী বিভাগ, জেলা, উপজেলা, মৌজা এবং খতিয়ান বা দাগ নম্বর দিন।
৪. অনুসন্ধান করে জমির রেকর্ড দেখুন।
৫. প্রয়োজন হলে নির্ধারিত নিয়মে অনলাইনে আবেদন করে পর্চার অনুলিপি সংগ্রহ করুন।


ই-পর্চা বাংলাদেশের ভূমি ব্যবস্থাপনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল সেবা। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ সহজে জমির খতিয়ান ও ভূমি-সংক্রান্ত তথ্য জানতে পারেন। এটি সময় ও শ্রম সাশ্রয় করে এবং ভূমি সেবাকে আরও সহজ, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করে তোলে।

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট