সিনিয়র শিক্ষক
১২ অক্টোবর, ২০২৬ ০১:২২ অপরাহ্ণ
সিনিয়র শিক্ষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ ষষ্ঠ
বিষয়ঃ বিজ্ঞান
অধ্যায়ঃ অধ্যায়-৮
দুই বা ততোধিক পদার্থ যেকোনো অনুপাতে মিশে মিশ্রণ তৈরি করে। মিশ্রণে থাকা উপাদানগুলোকে তাদের ভৌত ধর্মের পার্থক্যের ভিত্তিতে আলাদা করার পদ্ধতিকে মিশ্রণ পৃথকীকরণ বলে।
১. হাত দিয়ে বাছাই
হাত দিয়ে মিশ্রণের উপাদান আলাদা করা হয়।
উদাহরণ: চাল থেকে পাথর বাছাই।
২. ঝাড়াই
বাতাসের সাহায্যে হালকা ও ভারী উপাদান আলাদা করা হয়।
উদাহরণ: ধান থেকে তুষ আলাদা করা।
৩. চালন
চালুনির সাহায্যে বিভিন্ন আকারের কঠিন কণা পৃথক করা হয়।
উদাহরণ: আটা থেকে ভুসি আলাদা করা।
৪. পরিস্রাবণ
ছাঁকনি বা ফিল্টারের সাহায্যে তরল থেকে অদ্রবণীয় কঠিন পদার্থ আলাদা করা হয়।
উদাহরণ: পানি থেকে বালি পৃথক করা।
৫. বাষ্পীভবন
তরলকে বাষ্পে পরিণত করে দ্রবীভূত কঠিন পদার্থ পাওয়া যায়।
উদাহরণ: লবণাক্ত পানি থেকে লবণ তৈরি।
৬. পাতন
স্ফুটনাঙ্কের পার্থক্যের ভিত্তিতে তরল পদার্থ পৃথক করা হয়।
উদাহরণ: লবণাক্ত পানি থেকে বিশুদ্ধ পানি সংগ্রহ।
৭. চুম্বকীয় পৃথকীকরণ
চুম্বকের সাহায্যে চৌম্বক পদার্থ আলাদা করা হয়।
উদাহরণ: বালি থেকে লোহার গুঁড়া পৃথক করা।
৮. অধঃক্ষেপণ ও ঢালাই
ভারী অদ্রবণীয় কণা নিচে জমতে দেওয়া হয়; পরে ওপরের তরল ঢেলে আলাদা করা হয়।
উদাহরণ: ঘোলা পানি থেকে বালি পৃথক করা।
৯. ক্রোমাটোগ্রাফি
বিভিন্ন উপাদানের চলন ও শোষণের পার্থক্যের ভিত্তিতে পৃথক করা হয়।
উদাহরণ: কালির বিভিন্ন রং আলাদা করা।
১০. পৃথকীকরণ ফানেল
পরস্পরে অমিশ্রণীয় দুই তরলকে ঘনত্বের পার্থক্যের ভিত্তিতে আলাদা করা হয়।
উদাহরণ: তেল ও পানি পৃথক করা।