সিনিয়র শিক্ষক
১২ অক্টোবর, ২০২৬ ০১:১৭ অপরাহ্ণ
সিনিয়র শিক্ষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ নবম
বিষয়ঃ ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান
অধ্যায়ঃ অধ্যায় ৭
আধুনিক ইতিহাসের জনক হলেন জার্মান ঐতিহাসিক লিওপোল্ড ফন র্যাংকে (Leopold von Ranke)।
পূর্ণ নাম: Leopold von Ranke
জন্ম: ২১ ডিসেম্বর ১৭৯৫
মৃত্যু: ২৩ মে ১৮৮৬
জাতীয়তা: জার্মান
অবদান: ঐতিহাসিক দলিল ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে ইতিহাস রচনার বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
হেরোডোটাসকে ইতিহাসের জনক বলা হয় কেন?
প্রাচীন গ্রিসের ঐতিহাসিক হেরোডোটাস (Herodotus)-কে ইতিহাসের জনক বলা হয়। তিনি আনুমানিক খ্রিষ্টপূর্ব ৪৮৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
তাঁকে ইতিহাসের জনক বলার কারণগুলো হলো—
1. ইতিহাস রচনার সূচনা: তিনি অতীতের ঘটনা অনুসন্ধান করে সেগুলো ধারাবাহিকভাবে লিপিবদ্ধ করেন।
2. তথ্য সংগ্রহ: বিভিন্ন স্থান ভ্রমণ করে মানুষের মুখে শোনা কাহিনি, প্রচলিত তথ্য ও ঐতিহাসিক উপাদান সংগ্রহ করেন।
3. গ্রিক-পারসিক যুদ্ধের বিবরণ: তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ The Histories-এ গ্রিক-পারসিক যুদ্ধসহ বিভিন্ন জাতির ইতিহাস ও সংস্কৃতি তুলে ধরেছেন।
4. নিরপেক্ষ অনুসন্ধানের চেষ্টা: তিনি বিভিন্ন ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করে সেগুলোর ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করেন।
5. ইতিহাসচর্চায় অবদান: ইতিহাসকে কেবল কাহিনি হিসেবে না দেখে অনুসন্ধান ও বিবরণের মাধ্যমে উপস্থাপনের ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
উপসংহার: অতীতের ঘটনা অনুসন্ধান, তথ্য সংগ্রহ ও সেগুলো লিখিতভাবে সংরক্ষণে অসামান্য অবদানের জন্য গ্রিক ঐতিহাসিক হেরোডোটাসকে ইতিহাসের জনক বলা হয়।