সহকারী শিক্ষক
১১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:৩০ অপরাহ্ণ
আইসিটি - অধ্যায় ২: সাইবার নিরাপত্তা (Cyber Security) - সাইবার অপরাধ
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ দশম
বিষয়ঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
অধ্যায়ঃ অধ্যায় ২
- ইন্টারনেট ও তথ্যপ্রযুক্তির দুনিয়ায় যেসকল অপরাধ সংঘটিত হয়, সেগুলোকে সাইবার অপরাধ বলে। শিক্ষার্থীরা এই স্লাইড থেকে সাইবার জগতের বিভিন্ন ঝুঁকি ও এর ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা লাভ করবে।
- ডি-ডস অ্যাটাক (DDoS Attack): কোনো নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট বা সার্ভারে কৃত্রিম ট্রাফিক বা জ্যাম তৈরি করে সেটিকে ডাউন বা অচল করে দেওয়ার প্রক্রিয়া।
- ডাটা ইন্টারসেপশন (Data Interception): ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের সময় মাঝপথে অবৈধভাবে তথ্য চুরি বা হ্যাক করার পদ্ধতি।
- ম্যালওয়্যার (Malware): ক্ষতিকারক সফটওয়্যার (যেমন: ভাইরাস, ট্রোজান হর্স), যা ব্যবহারকারীর কম্পিউটার বা মোবাইলের স্বাভাবিক কাজকে ব্যাহত করে এবং তথ্য চুরি করে।
- স্প্যামিং (Spamming): পরিচয় গোপন করে বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ইমেইল, মেসেজ বা কলে অপ্রয়োজনীয়, বিরক্তিকর ও প্রতারণামূলক তথ্য পাঠানো। (কনটেন্টে বাস্তব মোবাইল স্ক্রিনশটের মাধ্যমে স্প্যাম মেসেজ ও আননোন কল দেখানোর ব্যবস্থা রয়েছে)।
- তাত্ত্বিক আলোচনার পর শিক্ষার্থীরা নিজেদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে "সাইবার ঝুঁকি এড়ানোর ৫টি উপায়" খুঁজে বের করবে। এর মাধ্যমে তাদের দলগত কাজের দক্ষতা এবং সাইবার সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে ।
- পাঠ শেষে শিক্ষার্থীরা ডি-ডস অ্যাটাক, স্প্যামিং বা ম্যালওয়্যার কী—তা সংক্ষেপে উত্তর দিতে পারবে। পরিশেষে, বাস্তব জীবনে কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ এবং নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপগুলোর ওপর একটি সম্পূর্ণ বাড়ির কাজ রয়েছে।
উর্মি আক্তার
সহকারি শিক্ষক, বানিয়ারা উচ্চ বিদ্যালয়
মির্জাপুর, টাঙ্গাইল।