কৃষি ও খাদ্যের পারস্পরিক সম্পর্ক এবং এর গুরুত্ব নিচে কয়েকটি পয়েন্টে তুলে ধরা হলো:
খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ: দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর প্রতিদিনের ৩ বেলার খাবারের জোগান আসে কৃষি থেকে। চাল, গম, ডাল, আলু এবং তেলবীজ উৎপাদনের মাধ্যমে কৃষি দেশের অভ্যন্তরীণ খাদ্যের চাহিদা মেটায় এবং আমদানির ওপর নির্ভরতা কমায়।
পুষ্টির প্রধান উৎস: সুস্থ ও সবল জাতি গঠনে শুধু পেট ভরা খাদ্য নয়, পুষ্টিকর খাদ্যের প্রয়োজন। কৃষি খাতের উপ-খাতগুলো—যেমন প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য চাষ থেকে আমরা প্রয়োজনীয় প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন সমৃদ্ধ দুধ, ডিম, মাছ ও মাংস পাই।
নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন: আধুনিক বিশ্বে রাসায়নিক ও কীটনাশকমুক্ত নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বর্তমানে কৃষিতে জৈব সার এবং আইপিএম (IPM) বা সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা ব্যবহারের মাধ্যমে জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।
জলবায়ু পরিবর্তন ও খাদ্য সংকট মোকাবিলা:বন্যা, খরা ও লবণাক্ততার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে খাদ্য উৎপাদন যেন ব্যাহত না হয়, সেজন্য কৃষি বিজ্ঞানীরা লবণাক্ততা-সহিষ্ণু ও খরা-সহিষ্ণু ফসলের জাত উদ্ভাবন করছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে দেশের খাদ্য সংকট দূর করতে ভূমিকা রাখছে।