Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

১১ অক্টোবর, ২০২৬ ০৮:২৮ পূর্বাহ্ণ

মার্কজাকারবার্গ এর অবদান
ফেসবুক ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিপ্লব
  • বিশ্বকে সংযুক্ত করা: ২০০৪ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় বন্ধুদের সাথে নিয়ে জাকারবার্গ ফেসবুক চালু করেন। এটি বর্তমান বিশ্বের বৃহত্তম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিণত হয়েছে, যা বিশ্বের শত কোটি মানুষকে এক প্ল্যাটফর্মে এনেছে।
  • যোগাযোগের রূপান্তর: মানুষের দৈনন্দিন আড্ডা, ছবি ও মতামত শেয়ারিং এবং ডিজিটাল সংযোগের ধারণাটি তিনি সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছেন।
২. মেটা প্ল্যাটফর্মস ও অন্যান্য সেবা অধিগ্রহণ
  • ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ: ফেসবুকের অধীনে তিনি ২০১২ সালে ইনস্টাগ্রাম এবং ২০১৪ সালে হোয়াটসঅ্যাপ অধিগ্রহণ করেন। এর ফলে বিশ্বের শীর্ষ তিনটি যোগাযোগ অ্যাপ একই ছাতার নিচে আসে।
  • মেটাভার্স (Metaverse): ২০২১ সালে তিনি কোম্পানির নাম পরিবর্তন করে মেটা (Meta Platforms) রাখেন। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) এবং অগমেন্টেড রিয়েলিটি (AR)-র সমন্বয়ে ইন্টারনেটের ত্রিমাত্রিক ভবিষ্যৎ বা 'মেটাভার্স' তৈরিতে তিনি বিপুল বিনিয়োগ করছেন।
৩. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও প্রযুক্তি গবেষণা
  • ওপেন সোর্স এআই: মেটা-র মাধ্যমে জাকারবার্গ ওপেন-সোর্স লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল (যেমন: Llama) তৈরি ও উন্মুক্ত করেছেন, যা বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণাকে আরও সহজ ও গতিশীল করে তুলেছে।
৪. মানবকল্যাণ ও চিকিৎসাবিজ্ঞানে অবদান
  • চ্যান জাকারবার্গ ইনিশিয়েটিভ (CZI): ২০১৫ সালে কন্যা সন্তানের জন্মের পর তিনি ও তাঁর স্ত্রী প্রিসিলা চ্যান মিলে চ্যান জাকারবার্গ ইনিশিয়েটিভ প্রতিষ্ঠা করেন। জীবনের সব শেয়ারের ৯৯% এই সংস্থায় দান করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তাঁরা।
  • রোগ নির্মূলের লক্ষ্য: এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে চিকিৎসাবিজ্ঞান ও জীববিজ্ঞানে (Life Sciences) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে চলতি শতাব্দীর মধ্যে মানুষের সব প্রধান রোগ প্রতিরোধ ও নিরাময় করার লক্ষ্যে কোটি কোটি ডলারের প্রজেক্ট চালানো হচ্ছে।
মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট