Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

১১ অক্টোবর, ২০২৬ ০৮:২৬ পূর্বাহ্ণ

বিল গেটস এর অবদান।
মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠা ও অপারেটিং সিস্টেম
  • উইন্ডোজের সূচনা: ১৯৭৫ সালে বন্ধু পল অ্যালেনের সাথে তিনি মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৮৫ সালে তাঁদের তৈরি উইন্ডোজ (Windows) অপারেটিং সিস্টেম বাজারে আসে, যা সারা বিশ্বের কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয়।
  • পিসি বিপ্লব: "প্রতিটি ঘরে এবং প্রতিটি ডেস্কে একটি কম্পিউটার" — এই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে উইন্ডোজ সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে。
২. সফটওয়্যার প্রযুক্তির সহজলভ্যতা
  • এমএস অফিস (MS Office): ওয়ার্ড, এক্সেল ও পাওয়ারপয়েন্টের মতো সফটওয়্যারগুলো তৈরি ও জনপ্রিয় করার মাধ্যমে তিনি আধুনিক অফিস-আদালত এবং প্রাতিষ্ঠানিক কাজের ধরণ বদলে দিয়েছেন।
  • সফটওয়্যার লাইসেন্সিং: তিনি সফটওয়্যারকে একটি আলাদা বাণিজ্য ও মেধা সম্পত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন, যা আইটি শিল্পে নতুন কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
৩. মানবকল্যাণ ও দাতব্য কাজ (Philanthropy)
  • বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন: ২০০০ সালে তিনি তাঁর তৎকালীন স্ত্রীর সঙ্গে মিলে বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন গড়ে তোলেন। এটি বিশ্বের বৃহত্তম বেসরকারি দাতব্য সংস্থাগুলোর একটি, যার তহবিল থেকে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও দারিদ্র্য বিমোচনে শত শত কোটি ডলার অনুদান দেওয়া হয়।
  • পোলিও ও রোগ নির্মূল: এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে পোলিও রোগ নির্মূল এবং ম্যালেরিয়া ও এইডসের মতো মারাত্মক ব্যাধির টিকা আবিষ্কারে তিনি অবিস্মরণীয় অবদান রেখেছেন।
৪. জলবায়ু পরিবর্তন ও ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি
  • গ্রিন এনার্জি: জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় তিনি পরিচ্ছন্ন বা নবায়নযোগ্য শক্তি (Green Energy) গবেষণায় বিপুল বিনিয়োগ করেছেন।
  • দা গিভিং প্লেজ (The Giving Pledge): ওয়ারেন বাফেটের সাথে মিলে তিনি ধনকুবেরদের জন্য এই উদ্যোগ নেন, যেখানে বিশ্বের ধনীদের নিজেদের সম্পদের সিংহভাগ মানবকল্যাণে দান করার আহ্বান জানানো হয়। গেটস নিজেও তাঁর অর্জিত সম্পত্তির ৯৯% দান করার ঘোষণা দিয়েছেন।
মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট