Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

১১ অক্টোবর, ২০২৬ ০৮:২৪ পূর্বাহ্ণ

স্টিভ জবস এর অবদান
পার্সোনাল কম্পিউটার বা পিসি বিপ্লব (Macintosh)
  • সহজ ব্যবহারযোগ্যতা: স্টিভ জবস ও স্টিভ ওজনিয়াক ১৯৭৬ সালে অ্যাপল প্রতিষ্ঠা করেন। জটিল কম্পিউটারকে সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে তিনি গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস (GUI) এবং মাউসের ব্যবহার জনপ্রিয় করেন।
  • ম্যাকিনটোশ: ১৯৮৪ সালে তাঁর নেতৃত্বে বাজারে আসা ম্যাকিনটোশ কম্পিউটার প্রযুক্তি দুনিয়ায় এক বিশাল পরিবর্তন নিয়ে আসে। [1, 2, 3, 4, 5]
২. স্মার্টফোন ও মোবাইল প্রযুক্তির রূপান্তর (iPhone)
  • আইফোন (iPhone): ২০০৭ সালে স্টিভ জবস প্রথম আইফোন বাজারে নিয়ে আসেন। এটি বোতাম বা কিপ্যাড ছাড়া প্রথম সফল মাল্টি-টাচ স্ক্রিন স্মার্টফোন, যা মানুষের যোগাযোগের মাধ্যমকে চিরতরে বদলে দেয়। [1, 2, 3]
৩. সংগীত জগতের আধুনিকায়ন (iPod & iTunes)
  • আইপড (iPod): ২০০১ সালে বাজারে আসা আইপড মানুষের গান শোনার অভিজ্ঞতা পরিবর্তন করে। এর মাধ্যমে "পকেটে ১০০০ গান" রাখার ধারণা বাস্তবে রূপ পায়। [1, 2]
  • আইটিউনস (iTunes): ডিজিটাল পদ্ধতিতে বৈধভাবে গান কেনা ও শোনার জন্য তিনি আইটিউনস প্ল্যাটফর্ম চালু করেন, যা মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিকে পুনরুজ্জীবিত করে।
৪. অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র শিল্প (Pixar)
  • পিক্সার অ্যানিমেশন স্টুডিও: ১৯৮৬ সালে তিনি জর্জ লুকাসের কাছ থেকে একটি অ্যানিমেশন কোম্পানি কিনে নেন, যা পরে পিক্সার নামে পরিচিত হয়।
  • টয় স্টোরি: পিক্সারের ব্যানারে ১৯৯৫ সালে বিশ্বের প্রথম সম্পূর্ণ কম্পিউটার-অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র 'টয় স্টোরি' মুক্তি পায়। পরবর্তীতে এটি 'ফাইন্ডিং নেমো', 'আপ'-এর মতো অস্কারজয়ী চলচ্চিত্র উপহার দেয়।
    [1]
৫. ট্যাবলেট কম্পিউটার ও ডিজাইন দর্শন
  • আইপ্যাড (iPad): ২০১০ সালে তিনি আইপ্যাড উন্মোচন করেন, যা কম্পিউটার ও স্মার্টফোনের মাঝামাঝি ট্যাবলেট নামক এক নতুন ডিভাইসের বাজার তৈরি করে। [1, 2]
  • ডিজাইন ও নান্দনিকতা: জবস বিশ্বাস করতেন পণ্যের ভেতরের ও বাইরের অংশ সমান সুন্দর হওয়া উচিত। হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের নিখুঁত সমন্বয় এবং মিনিমালিস্টিক ডিজাইনকে তিনি শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে যান। [1, 2, 3]
মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট