সহকারী শিক্ষক
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১০:৫৩ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ দশম
বিষয়ঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
অধ্যায়ঃ অধ্যায় ২
সাইবার সিকিউরিটি হলো কম্পিউটার, মোবাইল, নেটওয়ার্ক, সফটওয়্যার ও ডিজিটাল তথ্যকে অননুমোদিত প্রবেশ, চুরি, ক্ষতি ও সাইবার আক্রমণ থেকে সুরক্ষিত রাখার ব্যবস্থা।
সহজভাবে বলা যায়, ইন্টারনেট ও ডিজিটাল ডিভাইস নিরাপদে ব্যবহার করার জন্য যে নিয়ম ও প্রযুক্তি অনুসরণ করা হয়, তাকে সাইবার সিকিউরিটি বলে।
বর্তমানে আমরা অনলাইনে পড়াশোনা, ব্যাংকিং, যোগাযোগ ও তথ্য আদান-প্রদান করি। এসব কাজে ব্যক্তিগত ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ব্যবহার করা হয়। সাইবার সিকিউরিটি আমাদের তথ্য ও ডিভাইসকে নিরাপদ রাখতে সাহায্য করে।
এর গুরুত্ব হলো—
কম্পিউটার, মোবাইল, নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেট ব্যবহার করে সংঘটিত অপরাধকে সাইবার অপরাধ বলে।
সাইবার অপরাধের কয়েকটি উদাহরণ:
ফিশিং (Phishing): প্রতারণামূলক ই-মেইল, বার্তা বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পাসওয়ার্ড ও ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা।
হ্যাকিং (Hacking): অনুমতি ছাড়া কোনো কম্পিউটার, নেটওয়ার্ক বা অ্যাকাউন্টে প্রবেশের চেষ্টা।
ম্যালওয়্যার (Malware): এমন ক্ষতিকর সফটওয়্যার, যা কম্পিউটার বা তথ্যের ক্ষতি করতে পারে।
সাইবার বুলিং (Cyber Bullying): ইন্টারনেট বা ডিজিটাল মাধ্যমে কাউকে অপমান, হয়রানি বা ভয় দেখানো।
ডেটা চুরি: অনুমতি ছাড়া কারও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ বা ব্যবহার করা।
১. শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা।
২. পাসওয়ার্ড কারও সঙ্গে শেয়ার না করা।
৩. দুই স্তরের নিরাপত্তা বা Two-Factor Authentication চালু রাখা।
৪. অপরিচিত লিংক ও সন্দেহজনক ফাইল থেকে সতর্ক থাকা।
৫. সফটওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেম নিয়মিত আপডেট করা।
৬. গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের ব্যাকআপ রাখা।
৭. পাবলিক কম্পিউটারে কাজ শেষে অ্যাকাউন্ট থেকে লগআউট করা।
৮. অনলাইনে ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা।