কবিতার মূলভাব ও কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা
কবি টাঙ্গাইলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী অধ্যুষিত শান্ত ও নিভৃত
‘চুনিয়া’ গ্রামটিকে গ্রিক পুরাণের শান্তিময় ও স্বর্গীয় উপত্যকা ‘আর্কেডিয়া’র সাথে তুলনা করেছেন। এই কবিতার মূল সুর হলো
যুদ্ধ ও হিংস্রতামুক্ত এক শান্তিময়, অহিংস পৃথিবীর আকাঙ্ক্ষা। [
1,
2,
3]
কবিতার প্রধান দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
- অহিংসার প্রতীক চুনিয়া: চুনিয়া গ্রামটি প্রাকৃতিক সম্পদে ঘেরা এবং সেখানকার মানুষ অত্যন্ত শান্ত প্রকৃতির। কবি এই গ্রামটিকে মহামানব গৌতম বুদ্ধের অহিংস নীতির সাথে তুলনা করেছেন। [1, 2]
- মারণাস্ত্রের বিরুদ্ধে অবস্থান: আধুনিক মানুষের তৈরি যুদ্ধাস্ত্র, সিংহাসনের লোভ আর রক্তপাত চুনিয়া পছন্দ করে না। কবি চান পৃথিবীর সব মারণাস্ত্র যেন সমুদ্রের তলদেশে নিক্ষেপ করে হিংসা দূর করা হয়। [1]
- প্রকৃতি ও মানুষের বন্ধন: চুনিয়ার মানুষ গাছপালা ও প্রকৃতির সান্নিধ্যে খুব সুখে থাকে। তারা বনের গাছ কাটার বিরুদ্ধে অর্থাৎ প্রকৃতির ধ্বংসলীলার তীব্র বিরোধী। []
- শান্তির এক চিরন্তন আশ্রয়: শত অন্যায়-অত্যাচারের মাঝেও চুনিয়া মানুষের মনে আশার প্রদীপ জ্বেলে রাখে। এই চুনিয়া আসলে কবি বা শান্তিকামী মানুষের হৃদয়ের নিভৃতে লালন করা এক কাল্পনিক স্বর্গ বা ইউটোপিয়া। []