Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

৩০ আগস্ট, ২০২৬ ১০:৩৬ পূর্বাহ্ণ

চুনিয়া আমার আর্কিডিয়া
কবিতার মূলভাব ও কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা
কবি টাঙ্গাইলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী অধ্যুষিত শান্ত ও নিভৃত ‘চুনিয়া’ গ্রামটিকে গ্রিক পুরাণের শান্তিময় ও স্বর্গীয় উপত্যকা ‘আর্কেডিয়া’র সাথে তুলনা করেছেন। এই কবিতার মূল সুর হলো যুদ্ধ ও হিংস্রতামুক্ত এক শান্তিময়, অহিংস পৃথিবীর আকাঙ্ক্ষা। [1, 2, 3]
কবিতার প্রধান দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
  • অহিংসার প্রতীক চুনিয়া: চুনিয়া গ্রামটি প্রাকৃতিক সম্পদে ঘেরা এবং সেখানকার মানুষ অত্যন্ত শান্ত প্রকৃতির। কবি এই গ্রামটিকে মহামানব গৌতম বুদ্ধের অহিংস নীতির সাথে তুলনা করেছেন। [1, 2]
  • মারণাস্ত্রের বিরুদ্ধে অবস্থান: আধুনিক মানুষের তৈরি যুদ্ধাস্ত্র, সিংহাসনের লোভ আর রক্তপাত চুনিয়া পছন্দ করে না। কবি চান পৃথিবীর সব মারণাস্ত্র যেন সমুদ্রের তলদেশে নিক্ষেপ করে হিংসা দূর করা হয়। [1]
  • প্রকৃতি ও মানুষের বন্ধন: চুনিয়ার মানুষ গাছপালা ও প্রকৃতির সান্নিধ্যে খুব সুখে থাকে। তারা বনের গাছ কাটার বিরুদ্ধে অর্থাৎ প্রকৃতির ধ্বংসলীলার তীব্র বিরোধী। []
  • শান্তির এক চিরন্তন আশ্রয়: শত অন্যায়-অত্যাচারের মাঝেও চুনিয়া মানুষের মনে আশার প্রদীপ জ্বেলে রাখে। এই চুনিয়া আসলে কবি বা শান্তিকামী মানুষের হৃদয়ের নিভৃতে লালন করা এক কাল্পনিক স্বর্গ বা ইউটোপিয়া। []


মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট