Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

২৮ আগস্ট, ২০২৬ ০৮:১৪ অপরাহ্ণ

জুতা আবিস্কার কবিতা
জুতা আবিষ্কার কবিতা নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা
  • উৎস: কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'কল্পনা' কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলন করা হয়েছে। [1, 2]
  • মূল উপজীব্য: রাজা হবুচন্দ্রের মনে প্রশ্ন জাগে, তিনি পৃথিবীতে পা রাখলে কেন তাঁর পায়ে ধুলো লাগবে? এই ধুলোবালি থেকে রাজার পা দুটিকে মুক্ত করার হাস্যকর ও অযৌক্তিক সব চেষ্টা নিয়েই কবিতাটি আবর্তিত হয়েছে। [1, 2, 3, 4]
  • মন্ত্রীদের ব্যর্থতা ও বিশৃঙ্খলা: রাজার নির্দেশে মন্ত্রী গবুচন্দ্র এবং রাজ্যের পণ্ডিতেরা চরম বিভ্রান্তিতে পড়েন। ধুলো দূর করতে গিয়ে তারা প্রথমে সাড়ে সতেরো লাখ ঝাড়ু দিয়ে পুরো রাজ্য ধুলোয় অন্ধকার করে ফেলেন। এরপর সেই ধুলো থামাতে নদীর সব পানি ঢেলে পুরো রাজ্যকে কাদায় ভাসিয়ে দেন। [1, 2, 3, 4]
  • চামারের বুদ্ধিমত্তা (আবিষ্কার): যখন পুরো পৃথিবী চামড়া দিয়ে ঢেকে দেওয়ার মতো অসম্ভব ও ব্যয়বহুল পরিকল্পনা করা হচ্ছিল, তখন এক বৃদ্ধ দরিদ্র চামার (মুচি) এসে সহজ সমাধান দেয়। সে বলে, পুরো পৃথিবী না ঢেকে রাজা যদি শুধু নিজের পা দুটি চামড়া দিয়ে ঢেকে নেন, তবেই ধুলো থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। এভাবেই জুতার আবিষ্কার হয়। [1, 2, 3]
  • সামাজিক বার্তা (মূলভাব): এই কবিতার মাধ্যমে কবি দেখিয়েছেন যে, অনেক সময় বড় বড় ডিগ্রিধারী বা উচ্চপদস্থ ব্যক্তিরা (যেমন রাজা ও মন্ত্রী) যা পারেন না, সাধারণ মেহনতি মানুষ তাদের ব্যবহারিক জ্ঞান ও সাধারণ বুদ্ধি (Common Sense) দিয়ে তা সহজেই সমাধান করতে পারে। এটি মূলত চামচামি, চাটুকারিতা এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতার বিরুদ্ধে একটি চমৎকার ব্যঙ্গাত্মক রূপক। [1, 2]
মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট