পরমাণুর কেন্দ্রকে নিউক্লিয়াস বলা হয়। নিউক্লিয়াসের চারদিকে ইলেকট্রনগুলো নির্দিষ্ট শক্তিস্তর (Shell) বা কক্ষে বিন্যস্ত থাকে।
শক্তিস্তরের নাম
শক্তিস্তর
প্রতীক
সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণক্ষমতা
প্রথম শক্তিস্তর
K
2
দ্বিতীয় শক্তিস্তর
L
8
তৃতীয় শক্তিস্তর
M
18 (অষ্টম শ্রেণির সরলীকৃত ধারণায় প্রথমে 8 পর্যন্ত পূরণ দেখানো হয়)
চতুর্থ শক্তিস্তর
N
32
ইলেকট্রন বিন্যাসের নিয়ম (অষ্টম শ্রেণির জন্য)
ইলেকট্রন সবসময় ভিতরের শক্তিস্তর (K) থেকে সাজানো শুরু হয়।
প্রথমে K স্তরে সর্বোচ্চ ২টি ইলেকট্রন বসে।
এরপর L স্তরে সর্বোচ্চ ৮টি ইলেকট্রন বসে।
তারপর M স্তরে ইলেকট্রন বসতে শুরু করে।
উদাহরণ
সোডিয়াম (Na)
পারমাণবিক সংখ্যা = ১১
মোট ইলেকট্রন = ১১
বিন্যাস:
K = 2
L = 8
M = 1
ইলেকট্রন বিন্যাস:2, 8, 1
অক্সিজেন (O)
পারমাণবিক সংখ্যা = ৮
ইলেকট্রন বিন্যাস = 2, 6
ক্যালসিয়াম (Ca)
পারমাণবিক সংখ্যা = ২০
ইলেকট্রন বিন্যাস = 2, 8, 8, 2
সহজে মনে রাখার কৌশল
K → 2
L → 8
M → 8(অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ের সরলীকৃত ধারণায়)
N → 2(যেমন ক্যালসিয়ামের ক্ষেত্রে 2, 8, 8, 2)
সংক্ষিপ্ত সংজ্ঞা (পরীক্ষার জন্য)
পরমাণুর নিউক্লিয়াসের চারদিকে নির্দিষ্ট শক্তিস্তর বা কক্ষে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসারে ইলেকট্রনগুলো যে ক্রমে অবস্থান করে, তাকে ইলেকট্রনের বিন্যাস (Electronic Configuration) বলে।