সহকারী শিক্ষক
২৯ জুলাই, ২০২৬ ০২:০৩ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ নবম
বিষয়ঃ জীব বিজ্ঞান
অধ্যায়ঃ অধ্যায় ৬
১.বাহ্যিক প্রভাবকসমূহ (External Factors): পরিবেশের এই উপাদানগুলো উদ্ভিদের হাতের বাইরে থাকে।
তাপমাত্রা: তাপমাত্রা বাড়লে পানির বাষ্পীভবন দ্রুত হয়, ফলে প্রস্বেদনের হার বাড়ে।
আপেক্ষিক আদ্রতা: বাতাসের আদ্রতা বেশি থাকলে (বাতাসে জলীয় বাষ্প বেশি থাকলে) প্রস্বেদনের হার কমে। বাতাস শুষ্ক হলে প্রস্বেদন বাড়ে।
আলো: আলোর উপস্থিতিতে পত্ররন্ধ্র খোলে, তাই দিনের বেলা বা বেশি আলোতে প্রস্বেদন বাড়ে। রাতে বা অন্ধকারে পত্ররন্ধ্র বন্ধ থাকে বলে প্রস্বেদন খুবই কম হয়।
বায়ুপ্রবাহ: বায়ুপ্রবাহ বেশি হলে পাতার উপরিভাগের আর্দ্র বাতাস সরে যায় এবং শুষ্ক বাতাস আসে, যার ফলে প্রস্বেদন বাড়ে।
২. অভ্যন্তরীণ প্রভাবকসমূহ (Internal Factors): এই প্রভাবকগুলো উদ্ভিদের নিজস্ব গঠন বা শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের উপর নির্ভরশীল।
পত্ররন্ধ্র (Stomata): পাতার পৃষ্ঠে পত্ররন্ধ্রের সংখ্যা বেশি হলে বা এগুলো বড় হলে প্রস্বেদন বাড়ে।
পত্রের সংখ্যা: গাছের পাতা বেশি হলে সামগ্রিকভাবে পানি বের হওয়ার পথ বাড়ে, তাই প্রস্বেদন বাড়ে।
পত্রফলকের আয়তন: পাতার আকার বা আয়তন বড় হলে প্রস্বেদন বাড়ে।
কিউটিকল (Cuticle): পাতার উপরে কিউটিকলের (মোমজাতীয় আবরণ) স্তর পুরু হলে পানি বাষ্পীভবনে বাধা পায়, ফলে প্রস্বেদন কমে। মরুভূমির উদ্ভিদে সাধারণত পুরু কিউটিকল থাকে।
উদ্ভিদের বায়বীয় অঙ্গের আয়তন: কাণ্ড ও পাতার সামগ্রিক আয়তন বেশি হলে প্রস্বেদন বাড়ে।