Loading..

ভিডিও ক্লাস

রিসেট

২৮ জুলাই, ২০২৬ ০৫:৩৭ অপরাহ্ণ

বিপজ্জনক বস্তু ও বিপদের উৎস

আমার বই, প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা, (৫+ বয়সি শিশুদের জন‌্য), পৃষ্ঠাঃ ৪৪-এর শিক্ষাবিষয়ক ধারণা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে এই ৩ডি শিক্ষামূলক অ্যানিমেশনটি নির্মিত হয়েছে। সকল চরিত্র ও ঘটনাপ্রবাহ কাল্পনিক; তবে উপস্থাপিত নিরাপত্তাবিষয়ক শিক্ষাগুলো বাস্তব জীবনে প্রয়োগযোগ্য।


আমাদের চারপাশে এমন অনেক বস্তু ও পরিস্থিতি রয়েছে, যা অসাবধানতার কারণে দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। শিশুদের এসব বিপজ্জনক বস্তু ও বিপদের উৎস সম্পর্কে সচেতন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সচেতনতা থাকলে তারা নিজেরা নিরাপদ থাকবে এবং অন্যদেরও নিরাপদ থাকতে সাহায্য করবে।


শিক্ষণফল

এই পাঠ শেষে শিক্ষার্থীরা—

  1. বিপজ্জনক বস্তু কী তা ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  2. বিপদের উৎস চিহ্নিত করতে পারবে।
  3. দুর্ঘটনা এড়ানোর উপায় বলতে পারবে।
  4. নিরাপদ আচরণ অনুশীলনে আগ্রহী হবে।
  5. নিজের ও অন্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সচেতন হবে।

বিপজ্জনক বস্তুর উদাহরণ

  1. বৈদ্যুতিক তার
  2. বৈদ্যুতিক সকেট
  3. সূঁচ, আলপিন, সেফটিপিন
  4.  দিয়াশলাই, লাইটার
  5. কীটনাশক
  6. ভাঙা কাঁচ
  7. জ্বলন্ত চুলা

শিশুদের করণীয়

  1. ধারালো জিনিস নিয়ে খেলবে না।
  2. আগুন, দেশলাই বা লাইটার ব্যবহার করবে না।
  3. বৈদ্যুতিক সুইচ বা সকেটে হাত দেবে না।
  4. রাস্তা পার হওয়ার আগে দুই পাশে দেখে পার হবে।
  5. অপরিচিত ওষুধ বা রাসায়নিক স্পর্শ করবে না।
  6. বড়দের অনুমতি ছাড়া গ্যাসের চুলা ব্যবহার করবে না।
  7. বিপজ্জনক কিছু দেখলে দ্রুত বড়দের জানাবে।

বড়দের করণীয়

  1. বিপজ্জনক বস্তু শিশুদের নাগালের বাইরে রাখতে হবে।
  2. বৈদ্যুতিক সকেটে সেফটি কভার ব্যবহার করতে হবে।
  3. ওষুধ ও রাসায়নিক পদার্থ তালাবদ্ধ স্থানে রাখতে হবে।
  4. শিশুদের নিরাপত্তাবিষয়ক নিয়ম নিয়মিত শেখাতে হবে।
  5. ঘর ও বিদ্যালয়ে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

পরিশেষেঃ দুর্ঘটনা হঠাৎ ঘটে, কিন্তু সচেতনতা দুর্ঘটনা অনেকাংশে প্রতিরোধ করতে পারে। তাই বিপজ্জনক বস্তু ও বিপদের উৎস সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন এবং নিরাপত্তা বিধি মেনে চলা প্রতিটি শিশুর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিরাপদ আচরণই একটি নিরাপদ পরিবার, বিদ্যালয় ও সমাজ গড়ে তুলতে সহায়তা করে।

মন্তব্য করুন