কম্পিউটার নেটওয়ার্কে যুক্ত প্রতিটি যন্ত্রকে 'নোড' বলা হয়。 এর মাধ্যমে দূর-দূরান্তের কম্পিউটারগুলোর মধ্যে সহজে যোগাযোগ করা এবং ডেটা শেয়ার করা সম্ভব হয়।
নেটওয়ার্কের প্রধান ব্যবহারকারী ও সুবিধা:
রিসোর্স (Resource): নেটওয়ার্কে ব্যবহার করার জন্য যে সকল সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়, তার সবই রিসোর্স。 যেমন- কম্পিউটারে প্রিন্টার, ফ্যাক্স মেশিন বা সার্ভারে রাখা কোনো ফাইল সংযুক্ত করা。
ক্লায়েন্ট (Client): যে কম্পিউটার সার্ভার থেকে কোনো রিসোর্স বা সুবিধা গ্রহণ করে, তাকে ক্লায়েন্ট বলে
সার্ভার (Server): যে কম্পিউটারটি নেটওয়ার্কের অন্যান্য কম্পিউটারকে কোনো সেবা বা তথ্য প্রদান করে, তাকে সার্ভার বলে।
ইউজার (User): সার্ভার থেকে যে ক্লায়েন্ট রিসোর্স ব্যবহার করে, সে-ই হলো ইউজার বা ব্যবহারকারী
নেটওয়ার্ক সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি
একটি নেটওয়ার্ক তৈরি করতে শুধু কম্পিউটার থাকলেই হয় না, বরং কিছু গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হয়—
নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (NIC): একটি কম্পিউটারকে সরাসরি নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত করতে এই কার্ডটি ব্যবহার করা হয়। এটি মিডিয়া থেকে তথ্য নিয়ে কম্পিউটারকে দেয় এবং কম্পিউটার থেকে তথ্য নেটওয়ার্কে পাঠায়。
হাব (Hub) এবং সুইচ (Switch): একই নেটওয়ার্কে থাকা অনেকগুলো কম্পিউটারকে একসাথে যুক্ত করার জন্য হাব বা সুইচ ব্যবহার করা হয়। সুইচের কার্যকারিতা হাবের চেয়ে উন্নত।
রাউটার (Router): এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র, যার সাহায্যে একাধিক কম্পিউটার বা ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে তথ্য বা ডেটা আদান-প্রদান করা যায়
নেটওয়ার্কের প্রকারভেদ
কাজের পরিধি ও দূরত্বের ওপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক মূলত কয়েক ভাগে বিভক্ত— [1]
প্যান (PAN): পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (যেমন- ব্লুটুথ দিয়ে নিজের ডিভাইসগুলোর মাঝে সংযোগ)।
ল্যান (LAN): লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (যেমন- একটি স্কুল, ল্যাব বা অফিসের ভেতরের নেটওয়ার্ক
ম্যান (MAN): মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (একটি শহরের ভেতর সীমাবদ্ধ নেটওয়ার্ক)
ওয়ান (WAN): ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (সারা পৃথিবী জুড়ে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক, যার সবচেয়ে বড় উদাহরণ হলো 'ইন্টারনেট')