সহকারী শিক্ষক
০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:২৬ অপরাহ্ণ
নেতৃত্বের গল্প-২১ আবার পড়ি বর্ণমালা
বাংলা ভাষায় যেসব অক্ষর দিয়ে শব্দ তৈরি হয়, সেগুলোকেই বলা হয় বর্ণমালা।
বাংলা বর্ণমালা মূলত দুই ভাগে বিভক্ত:
১. স্বরবর্ণ
২. ব্যঞ্জনবর্ণ
স্বরবর্ণ (১১টি)
যে বর্ণগুলো নিজে নিজেই উচ্চারণ করা যায়: অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ
ব্যঞ্জনবর্ণ (৩৯টি)
যে বর্ণগুলো উচ্চারণ করতে স্বরবর্ণের সাহায্য লাগে:
ক, খ, গ, ঘ, ঙ
চ, ছ, জ, ঝ, ঞ
ট, ঠ, ড, ঢ, ণ
ত, থ, দ, ধ, ন
প, ফ, ব, ভ, ম
য, র, ল, শ, ষ, স, হ, ড়,য়,ং,ঃ, ঁ
বাংলা বর্ণমালার ৫০টা বর্ণের মধ্যে...
পূর্ণমাত্রার বর্ণ (৩২): অ, আ, ই, ঈ, উ, উ, ক, ঘ, চ, ছ, জ, ঝ, ট, ঠ, ড, ঢ, ত, দ, ন, ফ, ব, ভ, ম, য, র, ল, য, স, হ, ড়, ঢ়, য়
অর্ধমাত্রার (৮): ঋ, খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ
মাত্রাহীন (১০): এ, ঐ, ও, ঔ, ঙ, ঞ, ৎ, ঃ, ং, ঁ
চৈতন (বা টিকি): ই, ঈ, উ, ঊ, ঐ, ঔ, ট, ঠ প্রভৃতি বর্ণের মাথার ওপর যে বাঁকানো চিহ্নটি থাকে, তাকে চৈতন বা টিকি বলা হয়। এটি উড়ে (ওড়িশার) ব্রাহ্মণদের মাথার চুলের ঝুঁটির মতো দেখতে বলে এমন নাম।
আঁকড়ি (বা ইলেক): কোনো বর্ণের পাশে বা নিচে যখন বড়শির মতো বাঁকানো চিহ্ন থাকে, তাকে আঁকড়ি বলে। যেমন: ‘ক্ত’ বা ‘ঞ্চ’-এর বাম পাশের অংশ, অথবা ‘র’-এর নিচে আঁকড়ি দিলে হয় ‘রু’।
জোড়-আঁকড়ি: ‘ঞ’ বর্ণের পিঠে দুটি আঁকড়ি একসাথে থাকে বলে একে জোড়-আঁকড়ি বলা হয়। এ ছাড়া ঞ্চ, ষ্ণ প্রভৃতি যুক্তবর্ণেও এটি লক্ষ্য করা যায়।
পাগড়ি: ‘ঙ’ বর্ণের মাথার উপরের অংশটিকে পাগড়ির মতো দেখায় বলে একে পাগড়ি বলা হয়।
ঘাই: কিছু যুক্তবর্ণ বা বিশেষ গঠনে আঘাত বা তীরের ফলার মতো যে টান থাকে, তাকে ঘাই বলা হয় (এটি সাধারণত বর্ণের কৌণিক বা তীক্ষ্ণ অংশ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়)