প্রধান শিক্ষক
৩১ মার্চ, ২০২৬ ০৯:২৭ অপরাহ্ণ
Ayesha।।Class 5।। BGS।। Ch3 1।। Garo
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ পঞ্চম
বিষয়ঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়
অধ্যায়ঃ অধ্যায় ৩
এক নজরে গারো সম্প্রদায়
বাংলাদেশে সাধারণত ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা, শেরপুর, টাঙ্গাইল জেলায় গারো নৃগোষ্টী বাস করে।গারো সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী ঘর মূলত বাঁশ, কাঠ এবং ছন দিয়ে তৈরি এক ধরনের দীর্ঘ আকৃতির স্থাপত্য। তাদের বিশেষভাবে তৈরি ঘরের নাম নকবান্দি। গারোদের নিজস্ব ভাষার নাম আচিক বা গারো ভাষা। গারো সমাজ মাতৃতান্ত্রিক। সমাজে সন্তানদের বংশপরিচয় ও উত্তরাধিকার মায়ের গোত্রের দিক থেকে হয়। তারা পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধে বিশ্বাসী। গারোরা সাধারণত কৃষিজীবি। গারো নারী-পুরুষ অত্যন্ত পরিশ্রমী। অনেক ক্ষেত্রে নারীরা পুরুষদের থেকেও বেশি পরিশ্রম করে। গারোদের আদি ধর্মের নাম সাংসারেক। তবে বর্তমানে বেশিরভাগ গারো খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বী। গারোরা ভাত,মাছ,মাংস এবং বিভিন্ন শাক সবজি খেতে পছন্দ করে।গারো নারীদের ঐতিহ্যবাহী পোশাকের নাম দকবান্দা ও দকসারি। পুরুষেরা শার্ট, গেঞ্জি, লুঙ্গি, ধুতি ইত্যাদি পরিধান করে। গারোদের ঐতিহ্যবাহী উৎসবের নাম “ওয়াংগালা”। এই সময় তারা দেবতা সালজং- এর প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতাস্বরূপ নতুন শস্য উৎসর্গ করে। এদেশের সামগ্রিক অগ্রগতিতে সবার মতো তারাও অবদান রেখে চলেছে। গারো নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য জেনে তাদের প্রতি শ্রদ্ধা পোষণ করা উচিত।এক নজরে গারো সম্প্রদায়
বাংলাদেশে সাধারণত ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা, শেরপুর, টাঙ্গাইল জেলায় গারো নৃগোষ্টী বাস করে।গারো সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী ঘর মূলত বাঁশ, কাঠ এবং ছন দিয়ে তৈরি এক ধরনের দীর্ঘ আকৃতির স্থাপত্য। তাদের বিশেষভাবে তৈরি ঘরের নাম নকবান্দি। গারোদের নিজস্ব ভাষার নাম আচিক বা গারো ভাষা। গারো সমাজ মাতৃতান্ত্রিক। সমাজে সন্তানদের বংশপরিচয় ও উত্তরাধিকার মায়ের গোত্রের দিক থেকে হয়। তারা পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধে বিশ্বাসী। গারোরা সাধারণত কৃষিজীবি। গারো নারী-পুরুষ অত্যন্ত পরিশ্রমী। অনেক ক্ষেত্রে নারীরা পুরুষদের থেকেও বেশি পরিশ্রম করে। গারোদের আদি ধর্মের নাম সাংসারেক। তবে বর্তমানে বেশিরভাগ গারো খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বী। গারোরা ভাত,মাছ,মাংস এবং বিভিন্ন শাক সবজি খেতে পছন্দ করে।গারো নারীদের ঐতিহ্যবাহী পোশাকের নাম দকবান্দা ও দকসারি। পুরুষেরা শার্ট, গেঞ্জি, লুঙ্গি, ধুতি ইত্যাদি পরিধান করে। গারোদের ঐতিহ্যবাহী উৎসবের নাম “ওয়াংগালা”। এই সময় তারা দেবতা সালজং- এর প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতাস্বরূপ নতুন শস্য উৎসর্গ করে। এদেশের সামগ্রিক অগ্রগতিতে সবার মতো তারাও অবদান রেখে চলেছে। গারো নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য জেনে তাদের প্রতি শ্রদ্ধা পোষণ করা উচিত।