সহকারী শিক্ষক
১৫ মার্চ, ২০২৬ ০১:২৪ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ ষষ্ঠ
বিষয়ঃ বিজ্ঞান
অধ্যায়ঃ অধ্যায়-৩
ফুলের বিভিন্ন অংশগুলোর কাজ এবং গুরুত্ব :
১. পুংকেশর (Stamen) - ফুলের পুরুষ স্তবক। এটি ফুলের পুরুষ প্রজনন অঙ্গ। এর দুটি প্রধান অংশ থাকে:
পরাগধানী (Anther): এটি পুংকেশরের মাথায় থাকে। এখানে পরাগরেণু তৈরি হয়, যা প্রজননের জন্য জরুরি।
পরাগদণ্ড (Filament): এটি একটি সরু দণ্ড যা পরাগধানীকে ধরে রাখে এবং ফুলের উপরের দিকে তুলে ধরে।
২. গর্ভকেশর (Carpel/Pistil) - ফুলের স্ত্রী স্তবক। এটি ফুলের স্ত্রী প্রজনন অঙ্গ। এটি তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত:
গর্ভমুণ্ড (Stigma): গর্ভকেশরের একবারে উপরের আঠালো অংশ। পরাগযোগের সময় পরাগরেণু এখানে এসে পড়ে।
গর্ভদণ্ড (Style): গর্ভমুণ্ড ও গর্ভাশয়ের মাঝখানের নলটির মতো অংশ।
গর্ভাশয় (Ovary): ফুলের গোড়ায় অবস্থিত স্ফীত অংশ। এর ভেতরেই ডিম্বক (Ovule) থাকে, যা পরবর্তী সময়ে বীজে পরিণত হয়। আর গর্ভাশয়টি ফলে পরিণত হয়।
৩. পাপড়ি (Petal) - ফুলের রঙিন ও সুন্দর অংশটি হলো পাপড়ি। এর প্রধান কাজ হলো পতঙ্গকে আকৃষ্ট করা যাতে পরাগযোগ ঘটে। এছাড়াও এটি ফুলের ভেতরের কোমল অংশগুলোকে রক্ষা করে।
৪. বৃতি (Sepal) - ফুলের একদম নিচে সবুজ পাতার মতো অংশটি হলো বৃতি। এটি কুঁড়ি অবস্থায় ফুলকে রোদ, বৃষ্টি এবং পোকামাকড় থেকে রক্ষা করে।
৫. পুষ্পাধার (Receptacle) - এটি ফুলের গোড়ার সেই অংশ যার উপর ফুলের বাকি অংশগুলো (পাপড়ি, পুংকেশর ইত্যাদি) সাজানো থাকে। এটি ফুলকে একটি শক্ত ভিত্তি দেয়।
৬. পুষ্পবৃন্ত (Peduncle) - সহজ ভাষায় এটি হলো ফুলের বোঁটা। এটি ফুলকে গাছের শাখার সাথে যুক্ত রাখে এবং ফুলকে সোজা হয়ে থাকতে সাহায্য করে।