শিশুদের কম্পিউটার ব্যবহার শেখা উচিত শিক্ষামূলক ও সৃজনশীল কাজে, যা তাদের জ্ঞানীয় ও ডিজিটাল দক্ষতা বাড়ায়, তবে <</স্ক্রিন টাইম<</ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি; ছোটদের জন্য ৩০ মিনিট থেকে বড়দের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া, বয়স অনুযায়ী উপযুক্ত বিষয়বস্তু (যেমন: শিক্ষামূলক সফটওয়্যার, কোডিং, ছবি আঁকা) নির্বাচন করা এবং অতিরিক্ত ব্যবহার (যেমন: সহিংস গেম) এড়িয়ে চলা প্রয়োজন, যা তাদের পড়াশাোনা ও ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য সহায়ক হবে।
কম্পিউটারের ইতিবাচক দিক:
জ্ঞানীয় বিকাশ: শিক্ষামূলক গেম ও সফটওয়্যার মস্তিষ্কের বিকাশ, সমস্যা সমাধান এবং মাল্টিটাস্কিং ক্ষমতা বাড়ায়।
সৃজনশীলতা: ছবি আঁকা, ডিজাইন করা, গল্প লেখা ও ভিডিও সম্পাদনার মাধ্যমে সৃজনশীলতা বাড়ে।
ডিজিটাল সাক্ষরতা: ইন্টারনেট ব্যবহার, সার্চ করা ও ডিজিটাল টুলস ব্যবহারে পারদর্শী করে তোলে।
ভবিষ্যতের প্রস্তুতি: কোডিং ও রোবোটিক্সের মতো দক্ষতা অর্জনের ভিত্তি তৈরি করে।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ও সতর্কতা:
স্ক্রিন টাইম নিয়ন্ত্রণ: ২-৫ বছর বয়সীদের জন্য দিনে ১ ঘণ্টা, বড়দের জন্য বয়স অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময় (যেমন: ৩-৬ বছর বয়সীদের জন্য ৩০ মিনিট, ৯-১২ বছর বয়সীদের জন্য ৪-৬ ঘণ্টা) বেঁধে দিন।