পাঠ্য বইয়ের চিত্রঃ পৃষ্ঠা নং- ৪৬ #
পরিমিত পুষ্টিমান সম্মত খাবার মানে হলো, শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের খাদ্য উপাদান (শর্করা, প্রোটিন, ফ্যাট, ভিটামিন, খনিজ, পানি) সঠিক পরিমাণে ও বৈচিত্র্যপূর্ণ উৎস থেকে গ্রহণ করা, যেখানে শাক-সবজি, ফল, মাছ, মাংস, ডিম, ডাল, বাদাম, দই এবং আস্ত শস্যের মতো পুষ্টিকর খাবার থাকবে, আর চিনিযুক্ত, অতিরিক্ত লবণ ও অস্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাবার কমিয়ে খাওয়া—যা রোগ প্রতিরোধ করে এবং সুস্থ জীবন নিশ্চিত করে।
কী খাবেন (পুষ্টির উৎস):
- প্রোটিন: মাছ, মাংস, ডিম, ডাল, শিম, দই, বাদাম।
- শর্করা ও ফাইবার: আস্ত শস্য (ওটস, কুইনোয়া), মিষ্টি আলু, ফল, শাক-সবজি।
- স্বাস্থ্যকর চর্বি: অ্যাভোকাডো, বাদাম, বীজ, চর্বিযুক্ত মাছ, অলিভ অয়েল (অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত তেলে নয়)।
- ভিটামিন ও খনিজ: রঙিন শাক-সবজি (পালং শাক, ব্রকলি), ফল (বেরি, সাইট্রাস), ডার্ক চকলেট, রসুন।
- পানি: পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা।
কী কম খাবেন:
- চিনিযুক্ত খাবার ও পানীয়: সফট ড্রিংকস, মিষ্টি বিস্কুট, অতিরিক্ত চিনি।
- প্রক্রিয়াজাত খাবার: ফাস্ট ফুড, প্যাকেটজাত স্ন্যাকস।
- অতিরিক্ত লবণ: অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাবার।
- অস্বাস্থ্যকর ফ্যাট: ভাজাভুজি, অতিরিক্ত স্যাচুরেটেড ফ্যাটযুক্ত খাবার।
মূল নীতি:
- বৈচিত্র্য: প্রতিটি খাদ্য গোষ্ঠী থেকে বিভিন্ন ধরনের খাবার খান।
- পরিমিত পরিমাণ: "৮০/২০" নিয়ম অনুসরণ করতে পারেন—৮০% পুষ্টিকর খাবার এবং ২০% পছন্দের খাবার (সীমিত পরিমাণে)।
- সুষম খাদ্য: শর্করা, প্রোটিন, ফ্যাট, ভিটামিন, খনিজ ও পানি—এই ছয়টি উপাদান সঠিক অনুপাতে গ্রহণ করুন।
- শারীরিক সক্রিয়তা: নিয়মিত হাঁটাচলা ও ব্যায়াম করুন।
- পর্যাপ্ত ঘুম: পর্যাপ্ত ঘুমানো ও মানসিক চাপ কমানোও সুস্থতার অংশ।