পাঠ্য বইয়ের চিত্রঃ পৃষ্ঠা নং- ৮১ #
গৃহপালিত পশুর অর্থনৈতিক গুরুত্ব অপরিসীম, যা খাদ্য (দুধ, মাংস, ডিম), কৃষি (চাষের বলদ, সার), কর্মসংস্থান (লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবিকা), বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন (চামড়া, পশম রপ্তানি) এবং জ্বালানি (গোবর) সরবরাহের মাধ্যমে অর্থনীতিকে শক্তিশালী করে, বিশেষ করে গ্রামীণ ও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে।
- দুধ: গরু, মহিষ, ছাগল থেকে প্রাপ্ত দুধ একটি পুষ্টিকর খাদ্য ও বাণিজ্যিক পণ্য।
- মাংস: মুরগি, ছাগল, ভেড়া, গরু থেকে মাংস সরবরাহ হয়, যা প্রোটিনের চাহিদা মেটায়।
- ডিম: হাঁস ও মুরগি থেকে প্রাপ্ত ডিম প্রোটিনের অন্যতম উৎস।
- কৃষি কাজে সহায়তা: বলদ ও মহিষ হাল চাষ ও পরিবহনে ব্যবহৃত হয়।
- জৈব সার: পশুর মলমূত্র উৎকৃষ্ট জৈব সার হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যা রাসায়নিক সারের ওপর নির্ভরতা কমায়।
- কর্মসংস্থান ও আয়: পশুপালন গ্রামীণ জনগণের, বিশেষত দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের, আয়ের প্রধান উৎস এবং অসংখ্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে।
- পশম ও চামড়া: ভেড়া থেকে পশম এবং চামড়া থেকে বিভিন্ন সামগ্রী তৈরি হয়, যা রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা যায়।
- জ্বালানি: গোবর জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সহায়ক শিল্প: দুগ্ধ প্রক্রিয়াকরণ, মাংস প্রক্রিয়াকরণ, চামড়া শিল্প ইত্যাদি পশুপালনের সাথে সম্পর্কিত শিল্পগুলোর বিকাশ ঘটায়।
- অনেক পরিবারে গৃহপালিত পশু শুধু অর্থনৈতিক নয়, সামাজিক নিরাপত্তারও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- এটি কৃষিভিত্তিক জীবনযাত্রার অবিচ্ছেদ্য অংশ ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ধারক।