Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৫:০৮ অপরাহ্ণ

মরিচ উৎপাদন
পাঠ্য বইয়ের চিত্রঃ পৃষ্ঠা নং- ৬৪ #
মরিচ উৎপাদন একটি লাভজনক কৃষি কাজ, যার জন্য সঠিক জমি প্রস্তুতি, উন্নত জাত নির্বাচন, সার প্রয়োগ এবং পরিচর্যা জরুরি; সাধারণত ভালো ফলনের জন্য জৈব ও রাসায়নিক সার ব্যবহার করে জমি তৈরি করতে হয়, উপযুক্ত দূরত্বে চারা রোপণ করতে হয়, এবং ফুল আসার পর ১৫-২০ দিনে কাঁচা মরিচ সংগ্রহ করা যায়, যা বাংলাদেশে একটি অর্থকরী ফসল হিসেবে ব্যাপক চাষ হয়, বিশেষত চরাঞ্চলে। 
  • জমির আগাছা পরিষ্কার করে ৪-৫ বার আড়াআড়ি চাষ ও মই দিয়ে মাটি সমান করতে হবে।
  • শেষ চাষের আগে পর্যাপ্ত পরিমাণে জৈব সার (কম্পোস্ট) ও রাসায়নিক সার (টিএসপি, এমওপি) মিশিয়ে দিতে হবে। 
  • উচ্চ ফলনশীল ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন জাত নির্বাচন করা উচিত, যেমন বারি মরিচ-২, বারি মরিচ-৩ ইত্যাদি। 
৩. চারা রোপণ ও পরিচর্যা:
  • চারা রোপণের সময় নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে (প্রতি হেক্টর জমিতে প্রায় ৩ লক্ষ চারা)।
  • সেচ দেওয়ার আগে আগাছা পরিষ্কার করতে হবে এবং অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখতে হবে।
  • গাছে প্রচুর ফুল ও ফল আসার জন্য সঠিক পরিচর্যা এবং সার প্রয়োগ প্রয়োজন। 
  • ফুল আসার ১৫-২০ দিনের মধ্যে কাঁচা মরিচ তোলা যায়।
  • লাল মরিচ সংরক্ষণ করতে হলে রোদে শুকিয়ে নিতে হয়। 
৫. ফলন:
  • সঠিক পরিচর্যা করলে হেক্টর প্রতি ১০-১১ টন কাঁচা মরিচ এবং ১.৫-২.০ টন শুকনো মরিচ উৎপাদন সম্ভব। 
৬. বীজ উৎপাদন (বিশেষ পদ্ধতি):
  • সাদা মরিচ উৎপাদনের জন্য, পরিপক্ক ফল ৫-৭ দিন ব্যাগে রেখে নরম করে, তারপর বাইরের আবরণ তুলে ধুয়ে রোদে শুকানো হয়। 
গুরুত্ব:
  • মরিচ বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ মশলা ও অর্থকরী ফসল।
  • এটি ভিটামিন এ, বি, সি-এর উৎস এবং আচারসহ বিভিন্ন খাদ্য প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত হয়। 
মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট