পাঠ্য বইয়ের চিত্রঃ ৭.০৭ ।। সময়ের সাপেক্ষে তরঙ্গ বলতে বোঝায় সময়ের সাথে তরঙ্গের পরিবর্তন
, যা মূলত
কম্পাঙ্ক (Frequency) ও
সময়কাল (Time Period) দ্বারা নির্ধারিত হয়; কম্পাঙ্ক হলো প্রতি সেকেন্ডে তরঙ্গের পূর্ণ স্পন্দনের সংখ্যা (হার্টজ), আর সময়কাল হলো একটি পূর্ণ স্পন্দন সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সময় (সেকেন্ড) এবং এরা একে অপরের বিপরীতানুপাতিক (
T=1/νcap T equals 1 / nu
𝑇=1/𝜈
বা
ν=1/Tnu equals 1 / cap T
𝜈=1/𝑇
)। তরঙ্গ সময়ের সাথে শক্তি ও তথ্য বহন করে, যার বিস্তার, তরঙ্গদৈর্ঘ্য এবং বেগের মতো বৈশিষ্ট্য থাকে, যা মাধ্যমের কণার স্পন্দনের উপর নির্ভরশীল।
- কম্পাঙ্ক (Frequency, বা ): প্রতি সেকেন্ডে একটি নির্দিষ্ট বিন্দু দিয়ে কতগুলো পূর্ণ তরঙ্গ অতিক্রম করে, তার সংখ্যা।
- সময়কাল (Time Period, ): একটি পূর্ণ তরঙ্গ তৈরি হতে বা একটি কণার একটি পূর্ণ স্পন্দন সম্পন্ন করতে যে সময় লাগে।
- সম্পর্ক:
T=1/νcap T equals 1 / nu
𝑇=1/𝜈
(সময়কাল = ১ / কম্পাঙ্ক) অথবা ν=1/Tnu equals 1 / cap T
𝜈=1/𝑇
। - তরঙ্গদৈর্ঘ্য (Wavelength, ): একটি পূর্ণ স্পন্দন সম্পন্ন করতে যে সময়ে তরঙ্গ যে দূরত্ব অতিক্রম করে।
- তরঙ্গবেগ (Wave Velocity, ): একক সময়ে তরঙ্গ যে দূরত্ব অতিক্রম করে (যেমন,
v=fλv equals f lambda
𝑣=𝑓𝜆
)।
- স্পন্দনশীলতা: তরঙ্গ মাধ্যমের কণার কম্পনের ফলে সৃষ্টি হয়।
- শক্তি ও তথ্য: তরঙ্গ সবসময় শক্তি এবং তথ্য পরিবহন করে, কিন্তু মাধ্যম নিজে স্থানান্তরিত হয় না।
- প্রকারভেদ: অনুপ্রস্থ (Transverse), অনুদৈর্ঘ্য (Longitudinal), স্থির তরঙ্গ (Standing Wave) ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের তরঙ্গ সময়ের সাথে ভিন্নভাবে আচরণ করতে পারে।
সংক্ষেপে, সময়ের সাপেক্ষে তরঙ্গের আচরণ বোঝা মানে এর কম্পন, পুনরাবৃত্তি এবং গতির হার বিশ্লেষণ করা, যা কম্পাঙ্ক ও সময়কালের মাধ্যমে প্রকাশ পায়।