পাঠ্য বইয়ের চিত্রঃ ৭.০৬।। তরঙ্গ সংশ্লিষ্ট রাশিগুলো হলো
তরঙ্গদৈর্ঘ্য (λ), কম্পাঙ্ক (f), বেগ (v), বিস্তার (A), পর্যায়কাল (T) এবং তরঙ্গ সংখ্যা (k বা ṽ), যা তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য ও আচরণ বুঝতে সাহায্য করে; এর মধ্যে তরঙ্গদৈর্ঘ্য ও কম্পাঙ্কের সম্পর্ক
v=fλv equals f lambda
𝑣=𝑓𝜆
সূত্র দ্বারা প্রকাশ করা হয়, যেখানে
vv
𝑣
তরঙ্গের বেগ,
ff
𝑓
কম্পাঙ্ক এবং
λlambda
𝜆
তরঙ্গদৈর্ঘ্য।
প্রধান রাশি ও তাদের সংজ্ঞা:
তরঙ্গদৈর্ঘ্য (Wavelength, λ): পরপর দুটি সমদশা সম্পন্ন বিন্দুর মধ্যবর্তী দূরত্ব, অথবা একটি পূর্ণ কম্পন সম্পন্ন করতে তরঙ্গের অতিক্রান্ত দূরত্ব।
কম্পাঙ্ক (Frequency, f): প্রতি সেকেন্ডে একটি পূর্ণ স্পন্দনের সংখ্যা (হার্জ এককে মাপা হয়)।
বেগ (Velocity, v): এক সেকেন্ডে তরঙ্গ যে দূরত্ব অতিক্রম করে (মাধ্যমের কণার বেগ থেকে আলাদা)।
পর্যায়কাল (Time Period, T): একটি পূর্ণ স্পন্দন সম্পন্ন করতে যে সময় লাগে।
বিস্তার (Amplitude, A): তরঙ্গের সাম্যাবস্থা থেকে কণার সর্বোচ্চ সরণ (এটি শক্তি বোঝায়)।
তরঙ্গ সংখ্যা (Wavenumber, k): প্রতি একক দূরত্বে তরঙ্গের সংখ্যা (1/λ এর সমান)।