পাঠ্য বইয়ের চিত্রঃ ৫.১৩ ।।
পদার্থের তিনটি প্রধান অবস্থা হলো কঠিন, তরল, এবং গ্যাসীয়। কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন আছে, তরল পদার্থের নির্দিষ্ট আয়তন থাকলেও কোনো নির্দিষ্ট আকার নেই এবং এটি যে পাত্রে রাখা হয় তার আকার ধারণ করে, আর গ্যাসীয় পদার্থের কোনো নির্দিষ্ট আকার বা আয়তন নেই।
কঠিন
- বৈশিষ্ট্য: নির্দিষ্ট আকার এবং আয়তন থাকে।
গঠন: কণাগুলো একে অপরের খুব কাছাকাছি থাকে এবং এদের মধ্যে আকর্ষণ বল খুব শক্তিশালী, ফলে কণাগুলো নিজেদের অবস্থানে স্থির থাকে ও শুধু কম্পন করতে পারে।উদাহরণ: পাথর, কাঠ। তরল
- বৈশিষ্ট্য: নির্দিষ্ট আয়তন থাকে, কিন্তু নির্দিষ্ট আকার থাকে না; যে পাত্রে রাখা হয় তার আকার ধারণ করে।
- গঠন: কণাগুলো একে অপরের কাছাকাছি থাকে, তবে কঠিন পদার্থের মতো শক্তিশালী নয় এমন আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বলের কারণে কণাগুলো একে অপরের উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে।
- উদাহরণ: পানি, পেট্রোল।
গ্যাসীয় বা বায়বীয়
- বৈশিষ্ট্য: নির্দিষ্ট আকার বা আয়তন নেই।
- গঠন: কণাগুলোর মধ্যে দূরত্ব অনেক বেশি থাকে এবং আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল সবচেয়ে কম থাকে।
- উদাহরণ: বাতাস, অক্সিজেন।
দ্রষ্টব্য: পদার্থের আরও কিছু অবস্থা আছে, যেমন প্লাজমা (আয়নিত গ্যাস) এবং বোস-আইনস্টাইন কনডেনসেট, যা অত্যন্ত চরম পরিস্থিতিতে দেখা যায়।