পাঠ্য বইয়ের চিত্রঃ ১১.০২
ব্যাটারির কার্যক্রম হলো একটি রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে বৈদ্যুতিক শক্তি উৎপাদন প্রক্রিয়া। একটি ব্যাটারির মূল উপাদানগুলি হলো ক্যাথোড (ধনাত্মক প্রান্ত), অ্যানোড (ঋণাত্মক প্রান্ত), একটি বিভাজক এবং ইলেক্ট্রোলাইট (একটি রাসায়নিক দ্রবণ)। যখন ব্যাটারিটি একটি বাহ্যিক লোডের সাথে সংযুক্ত করা হয়, তখন অ্যানোড থেকে ইলেকট্রন ক্যাথোডের দিকে প্রবাহিত হয়, যার ফলে বৈদ্যুতিক প্রবাহ তৈরি হয়।
ব্যাটারির কার্যক্রমের মূল ধাপ
- অ্যানোড: অ্যানোডের (ঋণাত্মক প্রান্ত) জারণ ঘটে, যেখানে এটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে।
- ইলেক্ট্রোলাইট: ইলেক্ট্রোলাইট অ্যানোড এবং ক্যাথোডের মধ্যে আয়ন চলাচলের অনুমতি দেয়।
- ক্যাথোড: ক্যাথোডে (ধনাত্মক প্রান্ত) বিজারণ ঘটে, যেখানে এটি অ্যানোড থেকে আসা ইলেকট্রন গ্রহণ করে।
- বাহ্যিক সার্কিট: একটি বাহ্যিক তারের মাধ্যমে ইলেকট্রনগুলি অ্যানোড থেকে ক্যাথোডে প্রবাহিত হয়, যা একটি বৈদ্যুতিক প্রবাহ তৈরি করে এবং ডিভাইসটিকে শক্তি সরবরাহ করে।
ব্যাটারির উপাদান
- ক্যাথোড: ব্যাটারির ধনাত্মক প্রান্ত।
- অ্যানোড: ব্যাটারির ঋণাত্মক প্রান্ত।
- বিভাজক: ক্যাথোড এবং অ্যানোডের মধ্যে সরাসরি বৈদ্যুতিক সংযোগ রোধ করে।
ইলেক্ট্রোলাইট: এটি একটি রাসায়নিক দ্রবণ যা ক্যাথোড ও অ্যানোডের মধ্যে আয়ন চলাচলের পথ তৈরি করে। উদাহরণ
একটি সাধারণ সীসা-অ্যাসিড ব্যাটারিতে, যখন এটি ব্যবহার করা হয়, তখন সীসার জারণ হয় এবং সালফিউরিক অ্যাসিড থেকে প্রাপ্ত ইলেক্ট্রোলাইট আয়ন সরবরাহ করে। এই প্রক্রিয়ার বিপরীতটি ঘটে যখন ব্যাটারিটি চার্জ করা হয়।