সহকারী শিক্ষক
০৩ নভেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ দশম
বিষয়ঃ পৌরনীতি ও নাগরিকতা
অধ্যায়ঃ সপ্তম
বাংলাদেশে মূলত পাঁচ ধরনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়:
এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন।
প্রতি ৫ বছরে একবার অনুষ্ঠিত হয়।
জনগণ ভোটের মাধ্যমে ৩০০ জন সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচন করে।
একক সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পদ্ধতি (First-Past-The-Post System) অনুসরণ করা হয় — অর্থাৎ যিনি সবচেয়ে বেশি ভোট পান, তিনিই বিজয়ী হন।
নারী সংরক্ষিত আসন ৫০টি, যা সংসদ সদস্যদের ভোটে বণ্টন করা হয়।
১. ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন
২. উপজেলা পরিষদ নির্বাচন
৩. জেলা পরিষদ নির্বাচন
৪. সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভা নির্বাচন
এই নির্বাচনে স্থানীয় জনগণ তাদের স্থানীয় প্রতিনিধি বেছে নেয়।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে।
মেয়াদ ৫ বছর।
রাষ্ট্রপতি মূলত সাংবিধানিক বা আনুষ্ঠানিক প্রধান (Ceremonial Head)।
যেমন —
উপনির্বাচন (By-election) — কোনো আসন শূন্য হলে।
সহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচন — যেমন শিক্ষক সমিতি, বার কাউন্সিল ইত্যাদি।
বাংলাদেশের নির্বাচনের দায়িত্বে রয়েছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (EC)।
এটি একটি সংবিধানিক প্রতিষ্ঠান (সংবিধানের ধারা ১১৮ অনুযায়ী)।
কমিশন গঠিত হয় একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও সর্বোচ্চ চারজন নির্বাচন কমিশনার নিয়ে।
তারা রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত হন।
নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পরিচালনা, ভোটার তালিকা প্রস্তুত ও নির্বাচন পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করে।
সর্বজনীন ভোটাধিকার (১৮ বছর বা তদূর্ধ্ব সবাই ভোট দিতে পারে)
গোপন ব্যালট পদ্ধতি (Secret ballot)
একজন এক ভোট নীতি
নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখার বাধ্যবাধকতা
নির্বাচনী সহিংসতা
প্রভাবশালী দলের কর্তৃত্ব
অর্থ ও প্রশাসনিক প্রভাব
ভোটার তালিকা ও ফলাফল নিয়ে বিতর্ক
জনগণের মতামত প্রতিফলিত হয়
গণতন্ত্র সুসংহত হয়
দায়বদ্ধতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পায়
সরকার পরিবর্তনের শান্তিপূর্ণ উপায় হিসেবে কাজ করে