Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

০২ নভেম্বর, ২০২৫ ০৬:৫৪ অপরাহ্ণ

মহাস্থানগড়

পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার বা সোমপুর মহাবিহার পাল সাম্রাজ্যের দ্বিতীয় রাজা ধর্মপাল কর্তৃক অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি একটি বিখ্যাত বৌদ্ধ শিক্ষাকেন্দ্র ছিল এবং ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে ঘোষণা করে। ১৮৭৯ সালে স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম এটি আবিষ্কার করেন। 

ইতিহাস

প্রতিষ্ঠা: পাল বংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপাল দেব (৭৮১-৮২১) এটি নির্মাণ করেন।

আবিষ্কার: ১৮৭৯ সালে ব্রিটিশ প্রত্নতাত্ত্বিক স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম এই বিশাল স্থাপনাটি আবিষ্কার করেন।

গুরুত্ব: এটি প্রায় ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও শিক্ষাদান কেন্দ্র ছিল।

আন্তর্জাতিক সংযোগ: এটি ছিল একটি আন্তর্জাতিক কেন্দ্র, যেখান থেকে তিব্বত, চীন, মায়ানমার, মালয়েশিয়া এবং ইন্দোনেশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের বৌদ্ধরা ধর্মচর্চা ও জ্ঞান অর্জনের জন্য আসতেন।

স্থাপত্য: বিশাল আয়তনের এই বিহারে প্রায় ৮০০ ভিক্ষুর বসবাসের উপযোগী মোট ১৭৭টি কক্ষ ছিল। এটি এশিয়া এবং বিশেষ করে ব্রম্ভদেশ ও জাভার স্থাপত্যকলাকেও প্রভাবিত করেছিল।

বিশ্ব ঐতিহ্য: ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে একটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। 

বর্তমান অবস্থা

বর্তমানে এটি একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত বিহার, তবে এর বিশালতা এবং ঐতিহাসিক গুরুত্ব আজও পর্যটকদের আকর্ষণ করে।

অনেক গবেষক মনে করেন, বখতিয়ার খলজির শাসনামলে এই অঞ্চলের অনেক বিহার ও মন্দির ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছিল, যার ফলে এর মূল্যবান গ্রন্থাগার এবং শিল্পকর্ম ধ্বংস হয়ে যায়। 



মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট