Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

০৮ আগস্ট, ২০২৫ ০৩:৫৯ অপরাহ্ণ

#পুলিশকে যত গালিই দেন তাও সে এই কাজগুলো করেই

#পুলিশকে যত গালিই দেন তাও সে এই কাজগুলো করেই যাবে,,


ঘটনার বিবরণ : পুলিশ সার্জেন্ট মোঃ কামাল উদ্দিন,গত ০৪/০৮/২০২৫ তারিখ ঢাকা গেইট লোকেশনে ডিউটিতে নিয়োজিত ছিলেন। দুপুর আনুমানিক দুপুর ১৪.২০ ঘটিকার সময় ঢাকা গেইট (বনানী) লোকেশনের ঢাকা টু ময়মনসিংহ হাইওয়ে রোডের আউটগোয়িংয়ে একটি মোটরসাইকেল ও একটি মাইক্রোবাসের ভয়াবহ সংঘর্ষ ঘটে। ব্যস্ত সড়কের মাঝখানে এক সিএনজি চালকের বেপরোয়া ইউটার্নের কারণে তার পিছনে থাকা মোটরসাইকেল চালক থামার কোনো সুযোগ না পাওয়ায় সিএনজির পিছনে লেগে পড়ে যায়। সেই সময় পিছনে থাকা আরো একটি মাইক্রোবাস আচমকা (তাৎক্ষণিক) থামতে না পেরে সজোরে মটরসাইকেল চাকলকে পুনরায় ধাক্কা মারে। যার ফলে মটরসাইকেল চালকসহ তার সাথে থাকা আরোহী রাস্তায় পড়ে গুরুতর আহত হয় এবং মটরসাইকেল চালকের বাম হাতের কনুই স্থানচ্যুত হয়। তখন কর্তব্যরত সার্জেন্ট ঘটনার সেই বিশৃঙ্খল মুহূর্তে এক সেকেন্ডও বিলম্ব না করে পুরো পরিস্থিতি দ্রুত নিজের নিয়ন্ত্রণে নেন এবং কোনো ভয়, দ্বিধা বা যন্ত্রপাতি ছাড়াই ঘটনাস্থলেই আহত মটরসাইকেল চালকের স্থানচ্যুত কনুইটি সঠিক জায়গায় প্রতিস্থাপন করেন এবং মটরসাইকেলে থাকা অপর আরোহীর বুকে প্রচন্ত ব্যাথ্যা ও শ্বাস কষ্ট অনুভব করায় তাকেও দ্রুত বুকের মাঝখানে দুই হাত দিয়ে চাপ দিয়ে সিপিআর (CPR) প্রদান করলে তিনি স্বাভাবিক হন। তখন কর্তরত সার্জেন্ট আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার জন্য রাস্তা থেকে তোলার চেষ্টা করলে প্রথমে কেউ এগিয়ে আসেনি কিন্তু দায়িত্বরত সার্জেন্ট যখন আহতদের কোলে একাই তোলার চেষ্টা করে তখন উপস্থিত পথচারীগণ ঘটনাটি দেখে এগিয়ে আসে এবং তাদের সহায়তায় আহতদের ঢাকা কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরবর্তীতে আহতদের সাথে যোগাযোগ করে জানা যায় মটরসাইকেল চালকের নাম মোঃ শফিকুল ইসলাম (৫১), পিতা-আঃ রশিদ, সাং-৫৪/১ বালুরঘাট, থানা-ক্যান্টনমেন্ট, ডিএমপি, ঢাকা এবং মটরসাইকেল আরোহীর নাম মোঃ রাকিবুল ইসলাম (৪৮), পিতা-মোঃ বারেক মোল্লাহ, সাং-বনানী ডিওএইচএস, থানা-বনানী, ডিএমপি, ঢাকা। আহতদের সাথে সর্বশেষ যোগাযোগ করে জানা যায় তারা এখন কিছুটা সুস্থতা অনুভব করছেন। 


ধন্যবাদ পুলিশ সার্জেন্ট কামাল উদ্দিনকে তার এমন মানবিকতার জন্য।।।

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট