সহকারী শিক্ষক
২৩ জুলাই, ২০২৫ ১২:০০ অপরাহ্ণ
“আজকের সৃজনশীল কুঁড়ি আগামীর প্রস্ফূটিত গোলাপ”
আমার উদ্ভাবনী গল্প
“আজকের সৃজনশীল কুঁড়ি আগামীর প্রস্ফূটিত গোলাপ”
কুন্তলা মজুমদার
সহকারি শিক্ষক
গোপীনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
নগরকান্দা,ফরিদপুর
আমি ২০১৩ সাল থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের সাথে কাজ করছি।প্রাক-প্রাথমিকের নিয়োগ হওয়ার সুবাদে ছোট্ট শিশুদের সাথে খুব কাছ থেকে দেখার ও জানার সুযোগ হয়েছে।শিশুদের জন্য সৃজনশীল কাজের গুরুত্ব বলার অপেক্ষা রাখে না।তাই তো প্রাথমিক শিক্ষায় আবশ্যিক ভাবে এর প্রয়োগের উপর জোর দেয়া হয়েছে।আর আমার উদ্ভাননী গল্প এই সৃজনশীল কাজের সফল প্রয়োগ নিয়ে।
আমি চেষ্টা করি সৃজনশীল কাজগুলোর সফল প্রয়োগের মাধ্যমে শিশুদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি ও সুপ্ত প্রতিভা বিকাশকে ত্বরান্বিত করতে।
আমার অন্যতম একটি শখ হল বাগান করা।তাই এই শখ পূরণে আমাকে গাছ লাগানো ও এর যত্ন সম্পের্কে জানতে হয়।আমি জানি,শিশুদের ও যত্ন নিয়ে বড় করতে হয়।যত্ন পেলে ওরা প্রস্ফূটিত গোলাপ হয়ে সুবাস ছড়াবে।আর যথাযথ যত্ন না পেলে ওরা আগাছা হয়ে যেতে পারে।তাই একটি শিশুর পারিবারিক,সামাজিক ও বিদ্যালয় ভিত্তিক যত্ন শিশুকে সৃজনশীল একটি কুঁড়িতে রূপান্তর করে শিশুকে ভবিষ্যতে সৌরভ ছড়াতে আমাদের সবার এগিয়ে আসতে হবে।
আমি কাজ করি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি তৃণমূল পর্যায়ে।এখানে প্রায় ৩০-৪০% শিশুর মা বিদেশে থাকে উপার্জনের জন্য।যেখানে ওরা মায়ের মমতা থেকে বঞ্চিত সেখানে ওদের জন্য সৃজনশীলতার চর্চা পারবে ওদের মানসিক যত্ন নেওয়ার পাশাপাশি সঠিক বিকাশ ঘটাতে।তাছাড়া এখানে শিশুদের যথাযথ পারিবারিক পরিবেশের অভাব প্রায় ৫০% শিশুদের পরিবারে।যা শিশুর বিকাশে অন্যতম অন্তরায় হিসেবে কাজ করে।
আমার শিক্ষার্থীদের পূর্বে লক্ষণীয় বিষয়গুলো
এ লক্ষ্যে আমার গৃহীত পদক্ষেপগুলো
৭. অভিনয় অনুশীলন
৮. শেণিকক্ষ সজ্জিতকরন
৯. শিশুদের হাতের কাজ অভিভাবক সমাবেশে প্রদর্শন
১০. শিশুদের নিয়ে প্রোজেক্ট পরিচালনা
১১. সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার প্রদান
এখন শিক্ষার্থীদের অবস্থান
আমি আমার শেণিকক্ষে সৃজনশীল কাজগুলোর সফল প্রয়োগের মাধ্যমে বিদ্যমান সমস্যাগুলোর সমাধানের সাথে এখন অনুপস্থিতির হার ও সেই সাথে ঝরে পরার হার ০% করতে সফল হয়েছি।যা একজন শিক্ষক হিসেবে আমার কাছে আত্মসন্তুষ্টির বিষয় ।
আমার উদ্ভাবনী গল্পের সাথে থাকার জন্য সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ।