Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

১৭ নভেম্বর, ২০২৪ ০৯:৩২ অপরাহ্ণ

ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে জরুরি সেবার জন্য যোোগাযোোগে কখনও কখনও অর্্থ ব্যয় করতে হয়।

ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে জরুরি সেবার জন্য যোোগাযোোগে কখনও কখনও অর্্থ ব্যয় করতে হয়। জরুরি অবস্থা অনেক ধরনের হতে পারে। যেমন: ঘরে আগুন লেগেছে, সড়ক দুর্্ঘটর্্ঘনা, ভুল ওষুধ খেয়ে ফেলা, কীটনাশক খেয়ে ফেলা, কারও শ্বাসপ্রশ্বাসে কষ্ট হওয়া, বুকে ব্যথা হওয়া, হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে পড়ে যাওয়া, খাবার আটকে শ্বাসরোোধ হয়ে যাওয়া, কোোনোো অপরাধ ঘটতে দেখা ইত্্যযাদি। আবার কখনও কখনও কোোনোো বিষয়ে তথ্য জানাও জরুরি হয়ে পড়ে। যেমন আবহাওয়া বার্্ততা , কৃষি, স্বাস্থথ্য ইত্্যযাদি তথ্য জানার প্রয়োোজন পড়ে। কেউ যখন কোোনোো বিপদে পড়ে জরুরি নম্বরে ফোোন করে সাহায্য চাইতে কখনোোই লজ্জা করা বা ভয় পাওয়া উচিত নয়। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে। আমরা যদিও অপরিচিত মানুষকে নিজের নাম, ঠিকানা বা অন্য ব‌্যক্তিগত তথ্য দিই না, কিন্তু জরুরি সেবাদানকারী প্রতিনিধিকে এসব তথ্য দেওয়া নিরাপদ এবং বাধ্যতামূলক। জরুরি সেবার নম্বরগুলোো জাতীয় সম্পদ। এসব নম্বরে বিনা কারণে ফোোন করা উচিত নয়। শুধু তাই নয়, অপ্রয়োোজনে ফোোন করলে আইনে শাস্তির বিধানও আছে। সব জরুরি নম্বর ও তার সেবার ধরনগুলোো একটি পোোস্টারে লিখে সেটি বিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে সবাই যেন দেখতে পায় সেভাবে টানিয়ে দেয়া উচিত। এছাড়া মাঝে মধ্যে খেলাচ্ছলে বন্ধুদের মধ্যে জরুরি সেবায় যোোগাযোোগ নম্বর মনে রাখার প্রতিযোোগিতা করলে জরুরি সময়ে সেই চর্্চচা কাজে আসতে পারে।

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট