Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

১০ নভেম্বর, ২০২৪ ১১:০৭ অপরাহ্ণ

সেশন-১: ব্যক্তিগত ও বাণিজ্্যযিক কাজে বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ ব্যবহার

হাসির বাবা আফজাল হোোসেনের একটি দই তৈরির কারখানা আছে। এই কারখানায় তৈরি দই বাজারে ‘হাসি

দই’ নামে বিক্রি হয়। আজ হাসি এই দই কিনে হঠাৎ অবাক হয়ে আবিষ্কার করে দইয়ের স্বাদ অন্যরকম

লাগছে। ভালোো করে প্যাকেট লক্ষ করে দেখল সেখানে ‘হাসি দই’-এর পরিবর্্ততে ‘হাস দই’ রিবর্্ততে লেখা। অথচ প্যাকেট

দেখতে একই রকম, একই রং, একই সাইজ, লেখার ফন্টও একই রকম, সবকিছুই মিল আছে, শুধু ‘হাসি’র

জায়গায় ‘হাস’ লেখা।

সেটা খুব ভালোো করে খেয়াল না করলে হঠাৎ বো�োঝার উপায় নেই যে, এটা যে

হাসি দই না! হাসি খুব চিন্তিত হয়ে বাবার কাছে গিয়ে প্যাকেট দেখিয়ে পুরোো

ঘটনা খুলে বলল। আফজাল হোোসেন সবকিছু শুনে বললেন, হাসি তোোমাকে

অনেক ধন্যবাদ এই ব্যাপারটি লক্ষ করার জন্য। তবে আমাদের দুশ্চিন্তার

কিছু নেই। আমাদের হাসি দইয়ের স্বাদ অন্য দইয়ের তুলনায় আলাদা, তার

কারণ এই দই তৈরির প্রণালি আমার উদ্ভাবন করা এবং সেটি বেশ আলাদা

অন্যগুলোোর তুলনায়।

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট