প্রধান শিক্ষক
৩০ আগস্ট, ২০২৪ ১০:৩৫ পূর্বাহ্ণ
প্রধান শিক্ষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ প্রথম
অধ্যায়ঃ চতুর্থ অধ্যায়
অ =কারচিহ্ন নেই।
তবে
ব্যঞ্জনবর্ণ হসন্ত চিহ্ন ছাড়া
উপস্থাপিত হলে, বুঝতে হবে এর সাথে অ-কার আছে।
আ=
কারচিহ্ন া। এর নাম আকার। ব্যঞ্জনবর্ণের পরে বসে। যেমন―
কা, খা, গা, ঘা, ঙা, চা, ছা, জা, ঝা, ঞা, টা, ঠা, ডা, ঢা, ণা, তা, থা, দা, ধা,
না, পা, ফা, বা, ভা, মা, যা, রা, লা, শা, ষা, সা, হা, ড়া, ঢ়া, য়া। এর কোনো ভিন্নতর রূপ নেই।
ই= কারচিহ্ন ি। এর নাম হ্রস্ব-ইকার। এই চিহ্নটি ব্যঞ্জনবর্ণের আগে বসে। যেমন― কি, খি, গি, ঘি, ঙি, চি, ছি, জি, ঝি, ঞি, টি,ঠি, ডি, ঢি, ণি, তি, থি, দি, ধি, নি, পি, ফি, বি, ভি, মি, যি, রি, লি, শি, ষি, সি, হি, ড়ু, ঢ়ি, য়ি। এর কোনো ভিন্নতর রূপ নেই। বা এই চিহ্ন ব্যবহারের সময় মূল ব্যঞ্জনধ্বনির আকারগত কোনো পরিবর্তন হয় না।
ঈ=
কারচিহ্ন ী। এর নাম দীর্ঘ-ঈকার। এই চিহ্নটী ব্যঞ্জনবর্ণের পরে বসে। যেমন―
কী, খী, গী, ঘী, ঙী, চী, ছী, জী, ঝী, ঞী, টী, ঠী, ডী, ঢী, ণী, তী, থী, দী, ধী,
নী, পী, ফী, বী, ভী, মী, যী, রী, লী, শী, ষী, সী, হী, ড়ী, ঢ়ী, য়ী। এর কোনো ভিন্নতর রূপ নেই।
বা
এই চিহ্ন ব্যবহারের সময় মূল ব্যঞ্জনধ্বনির আকারগত কোনো পরিবর্তন হয় না।
উ= কারচিহ্ন পাঁচ প্রকার। এর নাম হ্র্স্ব-উকার। এই চিহ্ন বর্ণের নিচে বা ডানে বসে। অনেক সময় এই চিহ্ন মূল ব্যঞ্জনচিহ্নের পরিবর্তন ঘটায়।