Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

১৯ আগস্ট, ২০২৪ ০২:৫৩ অপরাহ্ণ

পরিবেশ ও জীবন

প্রায় এক দশক আগে বিজ্ঞানলেখক ও বরেণ্য নিসর্গী অধ্যাপক দ্বিজেন শর্মার বাসার বারান্দাবাগানে দুধসাদা রঙের একটি ফুল দেখি। বেশ যত্ন করে লাগানো এই গাছ তিনি নিজেই পরিচর্যা করতেন। ভেবেছিলাম গাছটি নিয়ে তিনি হয়তো কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন! লতানো গাছের এই ফুলগুলো প্রস্ফুটনের দিক থেকে ছিল অক্লান্ত। বারান্দায় বসে তাঁর সঙ্গে গল্প করতে করতে যখনই অবচেতনে গাছটির দিকে চোখ পড়েছে, তখনই দেখেছি দু–একটি ফুল আছে। পরে জেনেছি, লেখক শেখর রায় এই গাছ দিনাজপুর থেকে তাঁকে এনে দিয়েছিলেন। 

উদ্ভিদের সন্ধানে বিভিন্ন বন–বাগানে ঘুরতে ঘুরতে গত কয়েক বছরে ফুলটি অনেকবার চোখে পড়েছে। প্রসঙ্গত, খুলনার পাইকগাছা উপজেলার একটি বাগান, বান্দরবানের লামায় অবস্থিত কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটানিক্যাল গার্ডেনের কথা বলা যায়। পাতা, ফুলের গড়ন ও দীর্ঘকালীন প্রস্ফুটন প্রাচুর্যের কারণে যেকোনো বাগানের জন্য ফুলটি আদর্শ। এ কারণে ইদানীং অনেক বাগানেই ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি প্রকাশিত বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণিজ্ঞানকোষ গ্রন্থে এই ফুলের নাম চিমাইন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বৈজ্ঞানিক নাম Thunbergia fragrans। সেখানে বলা হয়েছে, একসময় ফুলটি বিভিন্ন বাগানে চাষ করা হতো। এখন প্রাকৃতিকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট