Loading..

উদ্ভাবনের গল্প

রিসেট

২৫ ডিসেম্বর, ২০২৩ ০৭:৪৪ অপরাহ্ণ

আয়ডিয়াঃ প্যাঁক প্যাঁকের দৌড়াদৌড়ি

উদ্দেশ্যঃ এই কাজটি শেষে শিক্ষার্থীরা-দশমিক ভগ্নাংশের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারবে ।উদ্দেশ্যঃ এই কাজটি শেষে শিক্ষার্থীরা-দশমিক ভগ্নাংশের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারবে ।

শিক্ষকঃ আজ তোমাদের এক হাঁস আর তার ছানার গল্প শোনাব। এক বনে এক হাঁস ছিলো তার এক ছোট ছানা ।হাঁসের ছানাটি ভারী চঞ্চল ,সারাদিন এদিক সেদিক প্যাঁক প্যাঁক শব্দ করে লাফিয়ে বেড়ায় ।এদিকে মা হাঁসের চিন্তার কোনো শেষ নেই, কখন ছানা হাঁসটি কিছু একটা হয়ে যায় ।ছানা হাঁসটির মা নতুন নতুন খেলা বের করতো আর সেগুলো দিয়ে ছানাটি নিজের চোখে চোখে রাখত।একদিন ছানা হাঁসের জন্য মা হাসটি নতুন খেলা বের করলো। মা হাসটি লম্বা এক লাফ দিয়ে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাবে এবং ছানা হাসটির সেই পরিমান জায়গা ছোট ছোট লাফ দিয়ে পার হতে হবে। শর্ত হলো –মা হাঁসটি একবার লাফ দিয়ে যতটুকু যাবে, ছানা হাঁসটি সেই পরিমাণ জায়গা ঠিক ১০টি ছোট ছোট লাফ দিয়ে পার হতে হবে এবং লাফগুলো সবসময় সমান হতে হবে। এক লাফে বেশি দূরে গেলো, আরেক লাফে কম দূরে গেলো ,এরকম হলে চলবে না। বেচারা ছানা হাঁসটি চিন্তায় পড়ে গেলো, এরকম হিসেব করে লাফানো যায় না কি? তখন মা হাঁস তার ছানার জন্য খেলা সহজ করে দিলো। মা হাঁস তার লাফ দেয়ার পরো জায়গাটি মোট দশটি সমান ভাগ করলো যাতে ছানা হাঁসের লাফ দিতে সুবিধা হয় । ছানা হাঁসটি খুবি খুশি হলো, এখন শুধু দাগ ধরে ধরে লাফ দিলেই হবে ,আর চিন্তা করতে হবে না। মা হাঁস আর ছানা মনের আনন্দে খেলতে লাগলো ।মা হাঁস প্রতিবার ‘প্যাক’ করে শব্দ করে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় লাফিয়ে যায়,আর ছানা হাঁস জায়গাটুকুর প্রতিটি ভাগ ‘প্যাক প্যাক’ শব্দ করে ১০ ভাগ মোট ১০ লাফে পার হয় । মা হাঁস এর দুই বড় পায়ের ছাপের মাঝের দূরত্বটাকে আমরা ডাকছি প্যাঁক নামে। আর ছানা হাঁসের ছোট পায়ের ছাপের মাঝের দূরত্বকে ডাকছি “প্যাঁক প্যাঁক” নামে ।
মন্তব্য করুন