Loading..

শিক্ষায় অগ্রযাত্রা

রিসেট

২১ ডিসেম্বর, ২০২৩ ০৬:৪৫ অপরাহ্ণ

প্রশিক্ষণের গুরুত্ব /কিভাবে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা যায়

প্রশিক্ষণ যত হবে সুকঠিন শাণিত, দক্ষতা তত হবে পরীক্ষিত উন্নত। যে ধারণার উপর সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হওয়া উচিত তা তুলে ধরা হলো। কার্যকর প্রশিক্ষণ ব্যতিরেকে পেশার উৎকর্ষতা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন সম্ভব নয়। প্রশিক্ষণ কাঙ্খিত সফলতার অন্যতম চাবিকাঠি। ব্যক্তি মানুষের ব্যবহার ও আচরণ সৃষ্টিতে প্রক্ষিণের কোনো বিকল্প নেই। একজন শিশু তার পারিবারিক পরিম-লে ভাষা হতে শুরু করে যাবতীয় আচরণগত বৈশিষ্ট্য রপ্ত করে শুধুমাত্র অনুসরণগত শিক্ষনের মাধ্যমে। এরপর ওই শিশুকে উপযুক্ত নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার প্রয়োজন হয়। কিন্তু শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাই তাকে কর্মক্ষম করে গড়ে তোলার জন্য যথেষ্ট নয়। বিষয় ও প্রযুক্তিভিত্তিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষিত একজন মানুষকে দক্ষ মানুষে পরিণত করা হয়। এভাবেই উন্নত সমাজ ও সভ্যতা ব্যাপ্তি লাভ করে। প্রশিক্ষণের গুরুত্ব অপরিসীম।

কাজেই কাউকে একদিনের খাবার হিসেবে প্রোটিন না দিয়ে,  প্রোটিনযুক্ত খাবার কিভাবে প্রস্তুত করতে হয় সেটা শিখিয়ে দেওয়াটাই জরুরি।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এক সাফল্যজনক উন্নয়ন ধারা অতিক্রম করছে। এ কর্মধারার মূল ভিত্তি সাম্প্রতিক অর্জনসমূহ। এর চালিকাশক্তি এক বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠী। দেশের জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক এই তরুণ জনগোষ্ঠীকে দেশে সকল চলমান অর্থনৈতিক কর্মক্ষেত্রের দক্ষ চালিকাশক্তি হিসেবে প্রস্তুত করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। অমিত সম্ভবনার এ তারুণ্যকে সচেতন এবং দক্ষতায় অভিষিক্ত করা আগামী বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রকৃত যাত্রাপথ। মানুষ মূলত শান্তিকামী। মানুষের জন্য একটি নিরাপদ এবং মানসম্মত শান্তিময় জীবন অর্জনের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে বাংলাদেশে বিভিন্ন সংস্থার সংগঠন ও বিভাগের হাজার হাজার লাখ লাখ কর্মীগোষ্ঠী কর্মে নিয়োজিত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে। তাই একটি দক্ষ জনগোষ্ঠীর জন্য প্রশিক্ষণ অত্যন্ত জরুরি। প্রশিক্ষণ একটি চলমান ব্যবস্থা বা প্রক্রিয়া যার দ্বারা জ্ঞান, দক্ষতা, অনুভূতি ও আচরণগত ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটানো হয়। প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য হচ্ছে প্রশিক্ষণার্থীর জ্ঞান, দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গিতে ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটানো, তার কাজ সর্বোত্তমভাবে সম্পাদনে তাকে প্রস্তুত করা ও তার নিকট থেকে সবচেয়ে বেশি ফল অর্জন করা। কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা বিনিয়োগ ও জেন্ডার নিরপেক্ষ পরিবেশ সৃষ্টি করা। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একটি প্রশিক্ষিত ও দক্ষ শ্রমশক্তি গড়ে উঠতে সক্ষম হয়। এছাড়া প্রশিক্ষণ নিষ্ঠাবান, পেশাদারিত্ব ও শৃঙ্খলার মান উন্নয়নে সহায়তা করে থাকে। 

মন্তব্য করুন