সহকারী শিক্ষক
১৮ নভেম্বর, ২০২৩ ১২:১৮ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
লক্ষণ সাহার জমিদার বাড়ি। রাজধানী ঢাকার অদূরে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার ডাংগা ইউনিয়নে অবস্থিত এক ঐতিহাসিক জমিদার বাড়ি। জমিদার বাড়িটি দ্বিতল বিশিষ্ট একটি ভবন। ভবনের মেঝেতে কষ্টি পাথর দিয়ে ঢালাই করা। ছোট্ট একটি কারুকার্য খচিত দালান, বাগানবাড়ি, সাঁন বাঁধানো পুকুর ঘাট, পূজো করার জন্য পুকুরের চারপাশে তিনটি মঠ বা মন্দির রয়েছে। জমিদার লক্ষণ সাহা এই জমিদার বংশের মূল গোড়াপত্তনকারী। তবে কবে নাগাদ এই জমিদার বংশ এবং জমিদার বাড়িটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তার সঠিক তথ্য জানা যায়নি। কয়েকশত বছরের স্বাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে এই লক্ষণ সাহা জমিদার বাড়িটি। এই জমিদারের বংশধররা অন্য জমিদারের আওতাভুক্ত ছোট জমিদার ছিলেন। কিন্তু জমিদারী এলাকাটি ভারত উপমহাদেশের মধ্যে একমাত্র ওয়াকফভুক্ত এলাকা হওয়ায় সেই সময়ের বৃটিশ সরকারের আইন বা নিয়ম অনুযায়ী ওয়াকফভুক্ত এলাকার জমিদারদেরকে খাজনা প্রদানের প্রয়োজন ছিলো না। লক্ষণ সাহার ছিল তিন ছেলে সন্তান। নিকুঞ্জ সাহা, পেরিমোহন সাহা ও বঙ্কু সাহা। বঙ্কু সাহা ভারত ভাগের সময় এখান থেকে ভারতে চলে যান। থেকে যায় দুই ভাই। পাকিস্থান থেকে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় হওয়ার কিছু পূর্বে নিকুঞ্জ সাহাও ভারতে চলে য়ায়। তখন থেকে যায় পেরিমোহন সাহা। এই পেরিমোহন সাহার ছিল এক ছেলে, তার নাম ছিলো বৌদ্ধ নারায়ন সাহা। বৌদ্ধ নারায়ন সাহার কাছ থেকে বাড়িটি ক্রয় করেন আহম্মদ আলী (উকিল)। মূলত আহম্মদ আলী সাহেব উকালতি পেশার সাথে সংযুক্ত ছিলেন বিধায় বর্তমানে এই জমিদার বাড়িটি উকিলের বাড়ি হিসেবেই বেশি পরিচিত।