সহকারী শিক্ষক
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ০৮:৫৭ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
আলহামদুলিল্লাহ, আজ (১২ রবিউল আউয়াল) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)। প্রায় দেড় হাজার বছর আগে ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের এই দিনে মানব জাতির জন্য রহমত হিসেবে প্রেরিত মহানবী হযরত মুহম্মদ (সা.) এর শুভ আবির্ভাব ঘটে। দিনটি মুসলিম উম্মাহর কাছে পবিত্র ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (সা.) নামে পরিচিত। ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের দিনে (১২ রবিউল আউয়াল) আরবের মক্কা নগরীর সভ্রান্ত কুরাইশ বংশে মা আমিনার কোল আলো করে সোমবার সুবহে সাদিকের সময় জন্ম নিয়েছিলেন বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)। মহানবী হযরত মুহম্মদ (সা.) এর জন্মের আগে গোটা আরব অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল। ওই সময় আরবের মানুষ মহান আল্লাহকে ভুলে গিয়ে নানা অপকর্মে লিপ্ত ছিল। আরবের সর্বত্র দেখা দিয়েছিল অরাজকতা ও বিশৃংখলা। এ যুগকে বলা হতো ‘আইয়ামে জাহেলিয়াত’র যুগ।
তখন মানুষ হানাহানি ও কাটাকাটিতে লিপ্ত ছিল এবং মূর্তিপূজা করতো। এই অন্ধকার যুগ থেকে মানবকুলের মুক্তিসহ তাদের আলোর পথ দেখাতে মহান আল্লাহতাআলা রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে দুনিয়ায় প্রেরণ করেন।
মহানবী (সা.) অতি অল্প বয়সেই আল্লাহর প্রেমে অনুরক্ত হয়ে পড়েন এবং প্রায়ই তিনি হেরা পর্বতের গুহায় ধ্যানমগ্ন থাকতেন। পঁচিশ বছর বয়সে মহানবী বিবি খাদিজার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। মাত্র ৪০ বছর বয়সে তিনি নব্যুয়ত লাভ বা মহান রাব্বুর আলামিনের নৈকট্য লাভ করেন।
পবিত্র কোরআন শরীফে বর্ণিত আছে, ‘মহানবীকে সৃষ্টি না করলে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন পৃথিবীই সৃষ্টি করতেন না’। এসব কারণে এবং তৎকালীন আরব জাহানের বাস্তবতায় এ দিনের (পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর) গুরুত্ব ও তাৎপর্য অনেক বেশি। বাংলাদেশসহ বিশ্ব মুসলিম সম্প্রদায় এ দিনটি ঈদে মিলাদুন্নবী হিসেবে পালন করে থাকে। সমগ্র জাহানের জন্য আনন্দের দিন। তাই প্রতি বছরের ন্যায় এবারও রামভদ্রপুর কে আই আলিম মাদ্রাসার সকল শিক্ষক/শিক্ষার্থীদের নিয়ে ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন করা হয়। নবী (সাঃ) শান, মান, জীবন, চরিত্র সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ধারণা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মাদ্রাসার সন্মানিত অধ্যক্ষ আব্দুস সামাদ নূরী। শিক্ষার্থীদের মাঝে রাসুল সাঃ এর জীবণ সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন মাদ্রাসার উপাধাক্ষ আবুল কালাম আজাদ।