Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ

পানি চক্র

তোমরা জান যে পানি নানা উৎস থেকে পাওয়া যায়। যেমন, আমরা বৃষ্টি থেকে পানি পাই। কখনো কখনো বর্ষাকালে বন্যার পানিতে দেশের নানা জায়গা পানিতে ডুবে যায়। আচ্ছা বলতো, বন্যার পানি কোথা থেকে আসে? বর্ষা শেষে আবার কোথায় চলে যায়? পরের বছর আবার বর্ষাকালে  কোথা থেকে বন্যার পানি আসে?

বৃষ্টি কীভাবে হয় তা তোমরা জেনেছ। সূর্যতাপ পুকুর, খাল, বিল, নদী ও সমুদ্রের পানিকে জলীয় বাষ্পে পরিণত করে। জলীয় বাষ্প বায়ুমন্ডলের  উপরের দিকে উঠে  ঠান্ডা হয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পানিকণায় পরিণত হয়। ক্ষুদ্র পানিকণা একত্র হয়ে আকাশে মেঘ হিসেবে ভেসে বেড়ায়। মেঘের পানিকণাগুলো একত্রিত হয়ে আকারে বড় হয়ে বৃষ্টিরূপে মাটিতে পড়ে। মেঘের পানিকণাগুলো খুব বেশি ঠান্ডা হয়ে গেলে বরফে পরিণত হয় এবং শীলা বৃষ্টি হিসাবে পৃথিবীতে নেমে আসে। বৃষ্টির পানি গড়িয়ে গড়িয়ে নদীর পানির সাথে মেশে। নদীর পানি প্রবাহিত হয়ে সমুদ্রের পানিতে মেশে। এভাবে ভূপৃষ্ঠের পানি থেকে জলীয় বাষ্প, জলীয় বাষ্প থেকে মেঘ, মেঘ থেকে বৃষ্টি হিসেবে পানি আবার ভূ-পৃষ্ঠে ফিরে আসে। পৃথিবীতে পানি তার এক উৎস থেকে উৎসে চক্রাকারে ঘোরে।

আবার বায়ু প্রবাহের কারণে জলীয় বাষ্প মেঘরূপে উড়ে গিয়ে পর্বতের চূড়ায় গিয়ে পৌছায়। সেখানে মেঘের পানিকণা ঠান্ডায় বরফে পরিণত হয়। এই বরফ গ্রীষ্মকালে সূর্যের তাপে গলে পানি হয়ে পাহাড়ের গা বেয়ে নেমে আসে। এভাবে ছোট পাহাড়ী নদীর উৎপত্তি হয়। এই নদীর পানি সব শেষে সমুদ্রে গিয়ে মেশে।

এভাবে পানির চক্রাকারে ঘুরে আসাকে পানি চক্র বলে।

ছবিটি দেখলে আরো সুন্দরভাবে বুঝতে পারবে।

                              =০=পানি

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট