Loading..

শিক্ষায় অগ্রযাত্রা

রিসেট

১৭ জুলাই, ২০২৩ ০১:৪৬ অপরাহ্ণ

ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে আমাদের যা জানা প্রয়োজন।

ডেঙ্গু-এক মারাত্মক ঘাতক। এবছর ইতোমধ্যে মৃতের সংখা শতাধিক ছাড়িয়েছে। বিশেষ করে শিশু ও গর্ভবতী মায়েরা মারাত্মক মৃত্যু ঝুঁকিতে থাকে। 

সরকার ও স্বাস্থ্য বিভাগ যথেষ্ট সচেতনতা মূলক প্রচার করা সত্ত্বেও এর ভয়াবহ রূপ নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্টরা হিমশিম খাচ্ছে। হাসপাতালে উপচেপড়া ভীর। যারা আক্রান্ত হয় কেবল তারাই বুঝে অসহায়ত্ব কত প্রকার ও কিকি। কয়েকদিন হলো এ বিষয়ে এক মর্মান্তিক বাস্তব অভিজ্ঞতা সবাইকে শেয়ার করা যৌক্তিক মনে করি। 

ছোট ছেলেটা (১৪) ৭ জুলাই, ২০২৩ শুক্রবার নামাজ পড়তে গিয়ে মাথা ঘুরিয়ে পরে গেল। বাসায় এসেই জ্ব্রর জ্ব্রর ভাব এবং রাতে তীব্র জ্ব্রর। বাসায় রেখেই প্রচুর পানি পান আর প্যারাসিটামল দিয়ে চিকিৎসা চললো। ৪র্থ দিনের অবস্থার পরিবর্তন না হলে টেস্ট করতে গিয়ে ডেঙ্গু  ধরা পরে।৫ম দিন জ্বর কমলেও বাচ্চা দূর্বল হতে থাকায় এবং কাশিঁ, পেটে ব্যথা, বুকে ব্যাথা দেখা দেয়ায় গ্রীণরোডের একটি হাসপাতালে ভর্তি হলে মেডিসিন বিশেষজ্ঞের অধীনে চিকিৎসা চলে। পরদিন প্ল্যাটিলেট ২০ হাজারে নেমে যায় এবং অবস্থার অবনতি ঘটে। ফুসফুস (Pleural effusion)ও পেটে পানি ( Ascitis) জমে যায় এবং অক্সিজেন সেচুরেশন কমতে থাকে।ভাগ্যক্রমে স্কয়ার হাসপাতালের PICU তে দ্রুত স্থানান্তর করি, অকিব তখন Impending shook এ। আল্লাহর রহমতে সেখনে ২দিন এবং ১ দিন কেবিনে থেকে আজ সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরছে। আল্লাহর দরবারে হাজার শুকরিয়া। ধন্যবাদ জানাই স্কোয়ার হাসপাতালের PICU কন্সালটেন্ট ডা. আহমেদ সাঈদ কে দক্ষতার সহিত চিকিৎসা প্রদান করায় এবং স্কো

য়ার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে সুন্দর ব্যবস্থাপনার জন্য।

যে বিষয়ে শুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন-

১। প্রকূপ কালীন সময়ে জ্ব্ররে আক্রান্ত হলে ডেঙ্গুর বিষয় টি বিবেচনায় রাখতে হবে।

২।দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

৩। বাচ্চার ও গর্ভবতী মায়েদের চিকিৎসার ব্যাপারে যেকোন অবহেলা রোগীর মৃত্যুর কারন হতে পারে।

৪। প্ল্যাটিলেট কাউন্ট একমাত্র বিষয় না।

৫।শরীরে পানি শুন্যতা যেন না হয় । মূখে খাবার সেলাইন ও প্রয়োজনে শিরায় সেলাইন ( IV fluid) দিতে হবে।

৬। জ্বর কমে যাওয়া মানে সুস্থ্য হওয়া না, বরঞ্চ জ্ব্রর সেরে যাওয়ার পর ৪/৫/৬ দিনের সময়টা ক্রিটিক্যাল পিরিয়ড।

৭। প্রতিদিন CBC করতে হবে, প্ল্যাটিলেট কাউন্ট সাথে PCV/HCT  দেখতে হবে। এটা বেড়ে যাওয়ার মানে খারাপের দিকে যাচ্ছে।

৮। Serum Albumin ও  অন্যান্য Liver Function করতে হবে।

৯। প্রশ্রাবের পরিমান যাতে স্বাভাবিক থাকে সে বিষয়ে নজর রাখা জরুরি।

১০।প্রয়োজনে হাসপাতাল ভর্তি করতে হবে।

মন্তব্য করুন