Loading..

শিক্ষায় অগ্রযাত্রা

রিসেট

০৩ জুলাই, ২০২৩ ০৬:৪৪ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশের নারী শিক্ষার অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না'

প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মো. মোস্তাফিজুর রহমান এমপি বলেছেন, লাদেন, জাওয়াহিরি বা আইএস এসেও বাংলাদেশের নারী শিক্ষার অগ্রযাত্রা থামাতে পারবে না।
তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষায় ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে। শিক্ষাসহ সব ক্ষেত্রে মেয়েদের অংশগ্রহণের কারণে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।
মন্ত্রী আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এলজিইডি-আরডিইসি অডিটরিয়ামে ‘এডুকেশন ওয়াচ রিপোর্ট-২০১৫’ প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।


প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা ধাপে ধাপে এগিয়েছে। এগিয়ে যাবে। অভিভাবকরাই মেয়েকে শিক্ষার জন্য, চাকরির জন্য এগিয়ে দিচ্ছেন। এর কারন দেশের মানুষ মনে করছে এগিয়ে যেতে হলে শিক্ষার কোন বিকল্প নেই।

‘সহস্রাব্দ উন্নয়ন থেকে টেকসই ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক এই প্রতিবেদন প্রকাশনা অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ক্যাম্পেইন ফর পপুলার এডুকেশন (ক্যাম্প) এর চেয়ারপার্সন কাজী রফিকুল আলম।
মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমরা বলতে গর্ববোধ করি যে, আমরা একটি মুসলিম দেশ। এমন অনেক দেশের উদাহরন দিতে পারব যেখানে মেয়েদের শিক্ষাকে নাজায়েজ কাজ মনে করা হয়। কিন্তু আমরা নারী শিক্ষাসহ সবার জন্য শিক্ষাকে গুরুত্ব দিয়েছি বরাবরই।
ইউএন কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট এর সদস্য ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, প্রাথমিক ভর্তিতে মেয়েরা এগিয়ে থাকলেও পরিবারে খাদ্যপুষ্টি বন্টনে পিছিয়ে রয়েছে। এদিকে খেয়াল রাখতে হবে। তিনি বলেন, মাধ্যমিকে শিক্ষার ভয়াবহ ঘাটতি রয়েছে। এমডিজি থেকে এসডিজিতে যেতে মানসম্মত মাধ্যমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, সমাজের অগ্রগতির আকাঙ্খা রিপোর্টে উঠে এসেছে।
ইংরেজীতে এবং অংকে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বাড়লেও বাংলায় সক্ষমতা কমছে বলে মনে হচ্ছে।
গবেষণায় উঠে আসে, আগের তুলনায় প্রাথমিক স্তরে নিট ভর্তির হার শতভাগ পৌঁছাবে ২০১৯ সালে।
গবেষণায় আরো তুলে ধরা হয়েছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো এখন আগের চেয়ে বেশি সমর্থ। শ্রেণীকক্ষের সংখ্যা, পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা ও বিশুদ্ধ পানির সুবিধার সঙ্গে শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রেও উন্নতি দেখা দিয়েছে। শতকরা আশি ভাগ তরুণ এখন শিক্ষিত। লিখিত গবেষণাপত্রে প্রাথমিক এবং গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়ের প্রতি ৭টি নীতিমালা সংক্রান্ত সুপারিশ করা হয়।
গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ডিএফআইডি বাংলাদেশের টিম লিডার ড. ক্যারোলিন সানার্স। অনুষ্ঠানে মূল প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন এডুকেশন ওয়াচের প্রধান গবেষক সমীর রঞ্জন নাথ।

মন্তব্য করুন