Loading..

শিক্ষায় অগ্রযাত্রা

রিসেট

২১ জুন, ২০২৩ ০৮:৩৯ অপরাহ্ণ

আইসিটি ইন এডুকেশন লিটারেসি, ট্রাবলস্যুটিং এন্ড মেইনটেন্যান্স বিষয়ক শিক্ষক প্রশিক্ষণ

শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন প্রকল্প ( ২য় পর্যায় )

পটভূমিঃ

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সুখী, সমৃদ্ধ “ সোনার বাংলা “ গড়ার স্বপ্ন দেখিয়েছেন । তাঁর স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তাঁর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০৪১ সালের মধ্যে “ স্মার্ট বাংলাদেশ “ বিনির্মাণের ঘোষণা প্রদান করেছেন । মাননীয়  প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক মাননীয় উপদেষ্টা জনাব সজীব ওয়াজেদ- এর দূরদর্শী দিক-নির্দেশনা এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি- তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশের মাইলফলক অর্জন করে “ স্মার্ট বাংলাদেশ “ বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে ।  স্মার্ট বাংলাদেশর স্বপ্নদ্রষ্টা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত , জ্ঞানভিত্তিক স্মাজ গঠন , স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ এবং বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন ।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত “স্মার্ট বাংলাদেশ” এর চারটি স্তম্ভ হচ্ছে (১) স্মার্ট সিটিজেন , (২) স্মার্ট ইকোনমি , (৩) স্মার্ট গভর্নমেন্ট এবং (৪) স্মার্ট সোসাইটি । স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির অন্যতম উপায় হিসেবে সরকার আইসিটি খাতের উপর গুরুত্ব আরোপ করেছে । সে লক্ষ্যে দেশের তৃণমূল পর্যায়ে আইসিটি শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে “ সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ও ভাষা প্রশিক্ষণ ল্যাব স্থাপন” প্রকল্পের আওতায় প্রথম পর্যায়ে মাধ্যমিক , উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৪০০১টি , সৌদি আরবে অবস্থিত বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল (বিআইএফ)-এ ১৫টি “ শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব “ এবং ১৬০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে “ শেখ রাসেল ডিজিটাল ক্লাসরুম “ স্থাপন করা হয় । প্রথম পর্যায়ে প্রকল্পের সফলতার ধারাবাহিকতায় বিগত ২৮ জুলাই ২০২০ খ্রিষ্টাব্দ তারিখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের ছাত্র-ছাত্রীসহ আগ্রহী তরুণ-তরুণীদের আইসিটি বিষয়ে প্রশিক্ষণ লাভ ও কর্মসংস্থানের সক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্যে “শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন প্রকল্প (২য় পর্যায় ) “ অনুমোদিত হয় । উক্ত প্রকল্পের আওতায় সারাদেশের ৫,০০০টি প্রতিষ্ঠানে ( স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা বা সমপর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠান) “ শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব “ ও ৩০০টি সংসদীয় আসনে ৩০০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন “শেখ রাসেল স্কুল অব ফিউচার “ স্থাপন করা হয়েছে । এভাবেই সৌদি আরবে ১৫টি সহ সারাদেশে বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সর্বমোট ৯০১৬টি শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপিত হয়েছে ।

দেশব্যাপী আইসিটি শিক্ষার প্রসারে উক্ত প্রকল্পের আওতায় স্থাপিত কম্পিউটার ল্যাবগুলোকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট কালো রাতে ঘাতকের নির্মম বুলেটে নিহিত বঙ্গবন্ধুর সর্বকনিষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ রাসেলের স্মরণে “ শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব “ এবং“শেখ রাসেল স্কুল অব ফিউচার “ নামে নামকরণ করা হয়েছে যা দেশের তৃণমূল পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের আইসিটি জ্ঞান সম্প্রসারণ ও দক্ষ মানব সম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি শহীদ শেখ রাসেলের অমর স্মৃতি শিশু-কিশোরদের মাঝে জাগ্রত করছে ।

 

 

মন্তব্য করুন