সহকারী শিক্ষক
১৪ জুন, ২০২৩ ১২:১০ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
মনের মত স্কুল পেলে, শিখবে শিশু হেসে খেলে।
একটু ভালোবাসা পেলে ওদের শিখন আগ্রহ বহুগুণ বেড়ে যায়। এই স্কুলে জয়েন করার পর কিছুটা খারাপ লেগেছিল শিক্ষার্থীদের অবস্থা দেখে, তবে আশাহত হইনি। প্রথম প্রথম ওদের গতিবিধি লক্ষ করেছিলাম আসলে ওরা কি চায়?।ওরা ড্রেস পরে স্কুলে আসতে চাইতো কম,সময় মেনে স্কুলে আসা, শ্রেণি কক্ষে প্রানবন্ত থাকা,শেখার আগ্রহ এগুলো ওরা খুব বেশি গুরুত্ব দিতোনা।সময়ের সাথে সাথে ওরা এ অভ্যাসগুলো পুরোপুরি পরিবর্তন করে ফেলেছে। ওরা এখন স্বপ্ন দেখে ওরাও একদিন বড় কিছু হবে। তাই নিয়ম করে স্কুলে আসে, শ্রেণি কক্ষে প্রানবন্ত থাকার চেষ্টা করে, শেখার প্রবনতা ও বৃদ্ধি পেয়েছে।গতদিন এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক কল করে বলে আয়শাকে একটু ছুটি দেন কিন্তু আয়শা বাড়ি যেতে অনিচ্ছুক। শিক্ষার্থীদের সরল উক্তি আগের থেকে স্কুল ওদের অনেক ভালো লাগে।৫ম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী নাম রায়হান ৫ মাস অনুপস্থিত। হোম ভিজিট করে জানতে পারলাম ওর ফুটবল খেলার প্রতি আগ্রহ বেশি তারপরই ফিটব্যাক ওকে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট এর স্কুল দলের অধিনায়ক বানিয়ে দিলাম এতেই বাজিমাত। ও এখন নিয়মিত স্কুলে আসে এবং শেখার প্রবনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। কি শেখাতে পারবো জানিনা তবে বিদ্যালয়ে নিয়মিত আসে এটাই ভালো লাগার একটা বড় জায়গা।এখন টার্গেট শুধু রিডিং শেখানে তবে ওর আগ্রহ দেখে মনে হলো ও পারবে।ইনশাআল্লাহ চেষ্টা অব্যহত থাকবে।অশেষ কৃতজ্ঞতা প্রিয় সহকর্মীদের ও প্রধান শিক্ষক মহোদয়ের প্রতি সবাই খুব আন্তরিকতার সহিত চেষ্টা করে যাচ্ছে একটি সুন্দর স্কুল বির্নিমানের জন্য।সকল শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বপ্ন বুনে দিলেই কাজটা সহজ হয়ে উঠবে।ইনশাআল্লাহ আমরা করবো জয়।