Loading..

শিক্ষায় অগ্রযাত্রা

রিসেট

০৯ জুন, ২০২৩ ০৮:৫৫ অপরাহ্ণ

আইসিটি ইন এডুকেশন ট্রেনিং (৪র্থ ব্যাচ) পি টি আই- নীলফামারী

আজ পৃথিবী গ্লোবাল ভিলেজ বলে গণ্য। বিকাশের অগ্রগতির এ সময়টাকে বিশ্বজুড়ে চিহ্নিত করা হচ্ছে তথ্যপ্রযুক্তির যুগ হিসেবে। বিজ্ঞানের যুগ পেরিয়ে আমরা এখন প্রযুক্তির যুগে। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের সক্ষমতা দ্বারাই নির্ধারিত হচ্ছে দেশ বা রাষ্ট্রের ক্ষমতা। প্রযুক্তির অবাধ ব্যবহার আমাদের পৃথিবীকে গ্লোবাল ফ্যামিলিতে পরিণত করেছে। মোবাইল, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, ইন্টারনেট উদ্ভাবন মানবসভ্যতাকে পৌঁছে দিয়েছে ভিন্ন এক উচ্চতায়।

এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশও এগিয়ে যাচ্ছে তার অভীষ্ট লক্ষ্যে। শিক্ষা ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার ডিজিটাল বাংলাদেশ আন্দোলনের এক অন্যতম ক্ষেত্র বলে বিবেচনা করা হচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তির গুরুত্ব উপলব্ধি করে প্রাথমিক শিক্ষায় এর সফল সংযোজন ঘটানো হয়েছে। আমাদের শিক্ষার নানা ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার আমাদের শিক্ষাকে টেকসই ও মানসম্মত পর্যায়ে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।

২০১৩ সালের এক ইমপ্যাক্ট স্টাডির ফলাফলে দেখা যায়, যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের মাধ্যমে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়, সেখানে শিক্ষার্থীদের মুখস্থ বিদ্যার প্রবণতা কমেছে এবং শেখার প্রতি আগ্রহ বেড়েছে। শিক্ষকরা ইন্টারনেট সার্চ করে বিভিন্ন শিখন-শেখানো উপকরণ ডাউনলোড করে বিষয় ও শ্রেণি উপযোগী কনটেন্ট তৈরি করে ক্লাস নিতে পারছে। এতে শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা ও জ্ঞান বৃদ্ধি পায়।

শিক্ষার্থীদের একবিংশ শতকের দক্ষ জনগোষ্ঠী হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষা ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয় ঘটানোর কোনো বিকল্প নেই। আধুনিক শিক্ষা বিজ্ঞানের এ প্রত্যাশা পূরণের ক্ষেত্রে আমাদের দেশে সত্যিকার অর্থে শিক্ষার প্রধান শক্তিশালী হাতিয়ার হল আইসিটি। এমডিজি অর্জনে প্রাথমিক শিক্ষায় আইসিটির ব্যবহার বাংলাদেশের ব্যাপক সাফল্য নিশ্চিত করেছে। এসডিজিতেও সরকার মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষার প্রতি অপরিসীম গুরুত্ব দিয়েছে এবং ব্যাপক কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।

মন্তব্য করুন