সহকারী শিক্ষক
০৫ জুন, ২০২৩ ০২:২৬ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ডিজিটাল ক্লাসরুম স্থাপন করে ডিজিটাল কনটেন্ট উপস্থাপনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা মূলত এ প্রদর্শন পদ্ধতিরই নামান্তর। এখানে শিক্ষার্থীরা দেখে ও শোনে এবং সহজভাবে আনন্দের সঙ্গে পাঠের বিষয়বস্তু আত্মস্থ করতে পারে। এতে তাদের এ শিখন স্থায়ী হয় এবং তারা বাস্তবজীবনে তা সফলভাবে প্রয়োগ করতে পারে।শিক্ষাই একটি জাতির উন্নতির চাবিকাঠি। জ্ঞান, মেধা ও মননে আধুনিক এবং চিন্তা-চেতনায় অগ্রসর একটি সুশিক্ষিত জাতিই একটি দেশকে উন্নতির শিখরে পৌঁছে দিতে পারে। আর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বর্তমান বিশ্বের সকল উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের মূল হাতিয়ার। আধুনিক যুগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে স্থান করে নিয়েছে তথ্য-প্রযুক্তি। আর তাইতো একবিংশ শতাব্দির সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ দুই-ই আবর্তিত হচ্ছে তথ্য-প্রযুক্তিকে ঘিরে। তথ্য-প্রযুক্তিই আগামী দিনে জাতীয় উন্নয়নের ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিবে এবং শিক্ষা, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধন করবে। শিক্ষার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বর্তমানে সারা বিশ্বব্যাপী। জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০, জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নীতিমালা ২০০৯ ও ৭ম পঞ্চবাষির্কী পরিকল্পনায় আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায়ও কম্পিউটার, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম ও তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। শিক্ষা উপকরণ ডিজিটালাইজেশন ও তথ্য-প্রযুক্তির সমন্বয়ে শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়ন শিক্ষার মানোন্নয়নে যুগোপযোগী ভূমিকা পালন করছে। আর শিক্ষার প্রাথমিক স্তরেই এ ডিজিটালাইজেশনের ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করা উচিত।
প্রাথমিক শিক্ষার ডিজিটালাইজেশনের দুইটি দিক রয়েছেঃ
১। প্রাথমিক শিক্ষায় মাল্টিমিডিয়া তথা ডিজিটাল ক্লাসরুম এর ব্যবহার।
২। প্রাথমিক শিক্ষা কন্টেন্ট ইন্টারঅ্যাক্টিভ মাল্টিমিডিয়া ডিজিটাল ভার্সনে রুপান্তরকরণ ।